প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ৭ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের সপ্তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর এখন ফিরে গেলে হয়তো আর কখনও এই সুযোগ আসবে না। সে দৃঢ় গলায় বলল- আমরা এতদূর এসেছি, অন্তত নিচে কী আছে দেখে যাই।রাহুল আপত্তি করল। কারণ যদি বিপদ হয়?যাইহোক সাবধানে এগোব, কোনো ঝুঁকি নেব না।মেঘলাও মাথা নাড়ল, সেও অরিন্দমের সঙ্গে একমত। অবশেষে রাহুল রাজি হলো। এরপর তিনজন টর্চ জ্বালিয়ে ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে নামতে শুরু করল। সিঁড়িগুলো অস্বাভাবিক ভাবে গভীর ছিল। পাথরের প্রতিটি ধাপ ক্ষয়ে গেছে, মনে হচ্ছিল শত শত বছর ধরে অসংখ্য মানুষ এই পথে যাতায়াত করেছে। নিচে নামার সঙ্গে সঙ্গে বাতাস ঠান্ডা হতে লাগল, চারপাশে স্যাঁতসেঁতে গন্ধ। মাঝে মাঝে ছাদ থেকে টুপ, টুপ করে জল পড়তে লাগে।
শব্দগুলো যেনো পুরো সুড়ঙ্গ জুড়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল। প্রায় দশ মিনিট ধরে নামার পরও সিঁড়ি শেষ হলো না। রাহুল বিরক্ত হয়ে বলল- মন্দিরের নিচে এত গভীর জায়গা থাকতে পারে? মেঘলা বলল- প্রাচীন তান্ত্রিক মন্দির গুলোর নিচে অনেক সময় গোপন কক্ষ থাকত। তবে এত গভীর হওয়া অস্বাভাবিক। হঠাৎ অরিন্দম থেমে গেল, সামনের দেয়ালে কিছু খোদাই করা আছে। তারা আলো ফেলতেই দেখতে পেল অসংখ্য অদ্ভুত প্রতীক।একই প্রতীক যা মানচিত্রে আঁকা ছিল। মেঘলা ব্যাগ থেকে একটি খাতা বের করল এবং সে প্রতীকগুলো কপি করতে লাগল। কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করার পর বলল- এগুলো কোনো সতর্কবার্তা। একজন জিজ্ঞাসা করলো- কী লেখা আছে?....
