ভাইয়ের আবদার রাখা
প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি আবার একটি নতুন গল্প নিয়ে চলে এসেছি। আশা করছি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। আজ শেয়ার করব ভাইয়ের আবদার কীভাবে রাখলাম।
আগের পোস্টেই বলেছি মামার বাড়িতে গিয়ে ভাই আমাকে কী সারপ্রাইজ দিয়েছিল। সেদিন ভাই আমার কাছে একটা আবদার করেছিল। আবদারটি হলো ভাইয়ের পছন্দ মতো একটা ছবি এঁকে দিতে হবে। ভাই ছবি আঁকা দেখতে খুব পছন্দ করে। ভাইও আঁকার চেষ্টা করে আর ছোটো হিসেবে ভালোই আঁকে। মামার বাড়ি গেলেই ভাইয়ের এই আবদারটা প্রত্যেকবার থাকবে। প্রতিবার হয়তো সময়ের অভাবে ছবি আঁকানো সম্ভব হয় না তবে এবার সময় পেয়েছি। তাই ভাইয়ের আবদার রাখতে ছবি আঁকতে বসলাম। ভাই বলল গণেশ ঠাকুরের একটা ছবি এঁকে দিতে। ভাই কে প্রথমেই বললাম একটি আর্ট পেপার, পেনসিন, পেন, ওয়াটার কালার ইত্যাদি এই সব নিয়ে আসতে। আঁকতে শুরু করলাম। প্রথমেই পেনসিল দিয়ে এঁকে নিলাম।
আঁকার পর দেখতে ঠিক এরকম লাগছিল। এরপর জল রং দিয়ে রং করে নিবো। গণেশ ঠাকুরের মুকুট, কান, চোখ, দাঁত এছাড়াও ফুলগুলো বাদে বাকি অংশে হলুদ রং করে নিবো।
হলুদ রং করার পর ঠিক এরকম লাগছিল দেখতে। এরপর ঠাকুরের চোখের পাতায় গোলাপি রং করে নিলাম। আর মার্কার দিয়ে কিছুটা বর্ডারও এঁকে নিলাম।
আঁকার পর ঠিক এরকম লাগছিল দেখতে। বর্ডারটা দেওয়ার পর একটু হলেও ছবিটা ফুটে উঠেছে।
এরপর আমি চোখ ও ভুরু সুন্দর করে মার্কার দিয়ে একে নেই। এখন যেন আরও সুন্দর লাগছে। মনে হচ্ছে গণেশ ঠাকুরের চক্ষুদান করা হল।
চক্ষুদান ও কপালে তিলক এঁকে দিয়ে এরকম লাগছিল দেখতে। সত্যিই খুব সুন্দর।
এরপর ডিজাইন করতে শুরু করি। খুব বেশি ডিজাইন হবে না। তাই প্রথমেই ছোট ছোট পাতা একে ডিজাইন শুরু করি।
পাতা আঁকার পর এরকম লাগছিল দেখতে।
এরপর আমি বাকি ফাঁকা জায়গা গুলোতে ডিজাইন করব। ডিজাইন খুব সহজ রাখবো যেন ভাই পরে চাইলে আঁকতে পারে।
ডিজাইন করার পর এরকম সুন্দর লাগছিল। ঠাকুরের মুকুট ও ফুল দুটিতে একই রকম ডিজাইন করেছি। কানটিতে প্রায় নয় দশ রকম ডিজাইন করেছি যেন ফুটে উঠে।
এরপর হলুদ রংয়ের চারপাশে বর্ডার টেনে নেই।
বর্ডারটি টানার পর এরকম সুন্দর লাগছিল। ছবিটি আরও ফুটে উঠল হলুদের মধ্যে।
শেষ পর্যন্ত ছবিটি এতটাই সুন্দর লাগছিল যে বাড়ির সবার পছন্দ হয়েছে।
আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। সবাই ভালো থাকবেন। আমার ছবি আঁকা কেমন হয়েছে তা অবশ্যই জানাবেন। ধন্যবাদ।








Beautiful and thoughtful way to fulfill your brother’s little request! I really enjoyed seeing the drawing process step by step, from the initial pencil sketch to adding the colors, borders, details, and finally the beautiful designs. The way you carefully worked on the eyes and other small details made the artwork come to life.
It is also lovely that your brother enjoys drawing and looks forward to your artwork whenever you visit. These simple moments with family often become very precious memories. You did a wonderful job, and I can understand why everyone at home liked the final result. Keep creating and sharing your beautiful artwork!
#s34engagement.
Thank You So Much