একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা!

একটা দিন আর পাঁচটা দিনের মতোই স্বাভাবিক ভাবে শুরু হয়, কিন্তু দিনটি যতক্ষণ শেষ না হচ্ছে এটা বলা খুব মুশকিল একটা দিনে আমাদের উপলব্ধি কি?
সাথে কোন কোন অভিজ্ঞতা একটা দিন আমাদের দিতে গেলো বাস্তব শিক্ষার মাধ্যমে!
উপরিউক্ত কথাগুলো লেখার পিছনের উদ্দেশ্য ভাগ করে নেবার আগে চলুন আজকে দিনের শুরু থেকে অতিবাহিত কিছু মুহূর্ত লেখার মাধ্যমে ভাগ করে নেওয়া যাক।
আজকে শনিবার, কাজেই শো রুমে যাবার আগে বেশকিছু ঘরের কাজ ছিল;
বর্তমানে আমার শারীরিক পরিস্থিতি অনেক দিক থেকেই সুবিধার নয়, একদিকে সারা গায়ে এলার্জি, সাথে ডান পায়ের হাঁটু অজানা কারণে হঠাৎ করেই লক হয়ে যাচ্ছে!
অদ্ভুত বিষয়, যখন বাড়িতে বসে কাজ করতাম উপরিউক্ত সমস্যা গুলো ছিল না!
এখন যখন শারীরিক পরিশ্রম বৃদ্ধি পেয়েছে, তখন এই ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে!
সাধারণত, হাঁটাচলা করলে, আমাদের শরীর ভালো থাকার কথা, সেখানে যদি বিপরীত পরিস্থিতি হয়, তখন প্রতিদিন সেই শরীর নিয়ে এতদূর যাওয়া কতখানি কষ্টকর সেটা শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ দায়!
![]() | ![]() |
|---|
ঘরের কাজ সেরে সকাল ৯ টা বেজে ৫৬ মিনিটের ট্রেন ধরবো বলে স্টেশনে পৌঁছনোর পর জানলাম, আজকে ট্রেন বেশ দেরিতে চলছে, সম্পাকে ফোন করেছিলাম বিষয়টি জানতে।
স্টেশনে বসে ছবি তুলে নিয়েছিলাম। এরপর, ট্রেন এসে পৌঁছনোর পর, উঠে একটি বসার জায়গা পেয়ে গিয়েছিলাম।
আজকে খানিক ফাঁকা ছিল ট্রেনটি। যে বিষয়টি আজকে আমাকে বেশ বিব্রত করেছে সেটি হলো, ট্রেন যখন আমার গন্তব্যে পৌঁছোয়, সামনে একটি ছেলে দাড়িয়ে ছিল, আগেই জানতে চেয়েছি, ছেলেটি নামবে কিনা?
উত্তরে জানালো, সেও নামবে, তাই আমিও তার পিছনে দাঁড়িয়ে ছিলাম।
কিন্তু অদ্ভুত ভাবে, ট্রেন থামার পরে দেখলাম, ছেলেটি গেট ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে! অন্যদিকে যারা ট্রেনে উঠতে চাইছেন তারাও প্রেসার তৈরি করছিলেন, বাধ্য হয়ে ছেলেটিকে উঁচু স্বরে সরে যেতে বলতে হয়েছে!
![]() | ![]() |
|---|
ভাবের ঘোর কেটে সরে দাঁড়িয়েছিল, আরেকটু হলেই ট্রেন ছেড়ে দিতো! ভাবুন একবার! কিছু মানুষের বিবেক মনে হয় বাড়িতে ফেলে রেখে আসে।
যাইহোক, এরপর শো রুমে পৌছে দেখলাম, সামনে সাজানোর কাজ শেষ হয়েছে, যেটি পুজো উপলক্ষ্যে সাজানো হয়েছে।
এরপর, বেশ ব্যস্ততায় কাটছিল আজকের দিনটি, এরমধ্যে মা এবং মেয়ে কেনাকাটা করতে এসেছিল, মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে!
কেনাকাটা শেষ করে আমার কাছে দুজনে এসে দাঁড়ায়, মেয়েটি আমার সামনে দাড়িয়ে থাকে, কিন্তু তার মা সামনে রাখা শাড়ি দেখতে এগিয়ে যায়!
![]() | ![]() |
|---|
আমাকে মেয়েটি টাকা মিটিয়ে দিয়ে মায়ের দিকে এগিয়ে যায়, আমি সিস্টেম থেকে বিল বের করে, সাথে কুপন দেবার জন্য উদ্ধত হতেই পিছন থেকে চিৎকারের শব্দ ভেসে আসলো!
তাকিয়ে দেখি, মেয়েটির মা অজ্ঞান হয়ে সোফায় বসে পড়েছে, আর দোকানের স্টাফ ছুটে গিয়ে জল ছিটাতে থাকে চোখে মুখে, আমি যেনো ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম!
কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি ঘটে যাওয়ায়, আমি কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না!
মিনিট খানেক বাদে আমি নিজেকে স্বাভাবিক করে, মহিলার মাথার উপরের এসি চালিয়ে দিয়েছিলাম,একটি স্টাফকে বললাম ফ্যানটাও চালিয়ে দিতে!
প্রচণ্ড ভিড় করে দাড়িয়ে ছিল সকলে তাই, ভিড় কমাতে বললাম!
এরপর, মেয়েটি বাড়িতে ফোন করলো, দোকান থেকে ভ্যান দেখে আনা হয়েছিল;
মহিলাটির সম্বিৎ ফিরতেই, তাকে দোকানের স্টাফ দিয়ে ভ্যানে করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
কালকে হয়তো জানতে পারবো, মহিলা কেমন আছেন! কারণ, তাদের সমস্ত কেনাকাটা দোকানেই রেখে গিয়েছেন।
পরে, শুনলাম ওনারা আশেপাশেই থাকেন, পরিচিত কাস্টমার।
সত্যি বলতে ওই মুহূর্তে কোনো ছবি তোলা হয়নি, অথবা বলা ভালো ছবি তোলাটা ভদ্রতা বলে মনে হয়নি।
এরপর স্বাভাবিক ভাবে দিন অতিবাহিত হলেও এই ঘটনাটি এই শিক্ষা দিয়ে যায়, একটি মুহূর্ত বড় শিক্ষা দিয়ে যায়!
জীবনের কোন মুহুর্ত কোন বিপদ বয়ে নিয়ে আসবে, সেটা স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা ছাড়া বোধকরি কারোর জানা নেই।
কর্মরত দিনের মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা!








El detalle del chico que bloqueaba la puerta del tren mientras otros empujaban para subir es lo más concreto del post; ese tipo de situación muestra cómo funcionan realmente los espacios compartidos, sin filtro. ¿Al final la acumulación de cansancio y el tema de la rodilla te obligaron a parar antes de terminar el día en el showroom?
একটা জিনিস খেয়াল করলাম, লিখেছেন বাড়িতে বসে কাজ করলে সমস্যা ছিল না, কিন্তু পরিশ্রম বাড়তেই হাঁটু লক হয়ে যাচ্ছে। এটা আসলে উল্টো হওয়ার কথা, তাই ডাক্তার দেখানো দরকার, এলার্জিও তো আছেই। ট্রেনের ছেলেটির ব্যাপারটা পড়ে অবাক হলাম, সত্যিই কিছু মানুষ বিবেক ঘরে ফেলে আসে।
Hola, amiga.
Qué lamentable la situación que viviste en la tienda con esa mujer, pero qué bueno que pudieron ayudarla. Es tal como dices, la vida nos demuestra a diario que en un segundo todo puede cambiar y que debemos valorar cada instante.
Gracias por compartir tu día con nosotros. #s34engagement