শহরের মানুষ বন্দী খাঁচায়, প্রকৃতি চলে নিজ মহিমায়!

বিগত কিছুদিন ধরেই শারীরিক অবস্থা অনুকূলে নেই, আর ঠিক সেই কারণে লেখায় সময়ের ছন্দপতন!
গতকাল, আমার দিনটা ছিল নিজের শারীরিক অসুস্থতাকে মানসিক শক্তি দিয়ে জয় করবার একটা চ্যালেঞ্জ!
জানিনা হয়তো, অনেকক্ষণ একভাবে বসে থাকার কারণে আমার ডান পায়ের হাঁটু লক হয়ে যাচ্ছে, আর অস্বাভাবিক যন্ত্রণা যেটা শব্দে প্রকাশ করবার নয়!
গতকাল সেই যন্ত্রণা চরমে পৌঁছে গিয়েছিল, একটা দিন পুরোটাই সেই যন্ত্রণা সহ্য করে অতিবাহিত করেছি।
আমি বেশ বুঝতে পারছিলাম, রাতে কস্য হবে আর সেই কারণে, যে দোকান থেকে আমি নিজের মাসের ওষুধ কিনি, সেখানে ফোন করে কিছু ওষুধের নাম লিখিয়ে দিয়েছিলাম, দোকানে জানিয়ে দিয়েছিলাম ফেরার পথে ওষুধ নিয়ে নেবো।

![]() | ![]() |
|---|
ট্রেন থেকে নেমে ওষুধের দোকান পর্যন্ত পৌঁছতে আমার কি পরিমান কষ্ট হয়েছে বলার নয়!
এরপর, ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফিরে চার তলায় সরী দিয়ে ওঠা আমার কাছে যুদ্ধ বলে মনে হয়েছিল।
এরপর, স্নান সেরে পুজো দিয়ে, ওষুধ খেয়ে নিয়েছিলাম। তারপর, শারীরিক পরিস্থিতি এতটাই নিম্নগামী ছিল যে, লেখার মত অবস্থায় ছিলাম না।
আজকে, শো রুমে তাড়াতাড়ি আসতে হবে তাই, রাত্রে শুয়ে পড়াটা আর যন্ত্রণা থেকে খানিক উদ্ধার পাওয়াটা খানিক প্রয়োজনীয়তাও ছিল।
তাই ঠিক করেছিলাম, আজকে ট্রেনে করে শোরুমে আসার পথে নিজের গতকালের অভিজ্ঞতা এবং শারীরিক পরিস্থিতি লেখার মাধ্যমে ভাগ করে নেবো।
আজকে যখন ট্রেনে করে আসছি, ভাগ্যক্রমে ট্রেনের জানালার পাশের বাসার সীট পেয়েছিলাম।
জানালায় বসে কিছু ছবি তোলার পর, নিজের গ্যালারিতে ছবিগুলোয় চোখ রেখে যে কথা সর্বাগ্রে মাথায় এসেছিল, সেটাই আজকের লেখার শীর্ষক হিসেবে বেছে নিয়েছি।

মানুষ নিজেকে মুক্ত মনে করলেও, কিছু দায়িত্ব আর দায়বদ্ধতায় তাদের একটা গোটা জীবন অতিবাহিত হয়।
অথচ যে প্রকৃতি নিজের অবস্থান থেকে এক্ পা এগোতে কিংবা পিছোতে অক্ষম, তারাই প্রকৃত অর্থে স্বাধীন।
প্রকৃতি বাঁচে নিজের শর্তে, সে মুক্ত, তার কারোর কাছে কোনো দায়বদ্ধতা নেই!
আকাশ মাথায় করে সে যুগ যুগ ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে নিজের অবস্থানে অনড় অবস্থানে।
অথচ মানব সমাজকে দৈনন্দিন প্রয়োজন স্থানান্তরিত হতে হয়।
আজকের ছবিগুলো জীবনের একটি বাস্তব চিত্র, কিন্তু খুব কম সংখ্যক মানুষ বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করে বলে আমার ধারণা।
করোনা চলাকালীন মানুষের বন্দিদশা নিয়ে মানুষ ভেবেছিল খানিক;
কিন্তু ঘরের চার দেওয়ালের মাঝের বাইরেও মানুষের একটা অঘোষিত বন্দিদশা রয়েছে, যেখানে নিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ একটা গোটা জীবন!
নিজের ভালোলাগা থাকলেও অনেক সময় তার বহিঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ, অনেক মন্দলাগা বিষয়কে মেনে নেওয়া বাধ্যতামূলক!

এমন অনেক ভাবনা ভাবতে ভাবতে দেখলাম নেমে পড়ার সময় হয়ে গেছে ট্রেন থেকে, তাই ভাবনার জগত থেকে বাস্তব জগতে ফিরে এসে বাকি পথ অতিক্রম করে শোরুমে পৌঁছে গিয়েছিলাম।
লেখায় ইতি টানতে সময় লেগে গেলো একটা গোটা দিন, প্রশ্নটা কি আলিক? আমরা মানুষ বন্দী খাঁচায়, প্রকৃতি চলে নিজ মহিমায়?
মন্তব্যের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না, কেমন!




Ese dolor de rodilla que te bloquea y te obliga a pensar cada movimiento suena a algo más que una molestia pasajera. La foto desde el tren con la ventana de fondo es la que más me quedó: ahí se ve esa contradicción que planteás entre el que se mueve por obligación y el que permanece quieto por naturaleza. ¿El medicamento que retiraste es el mismo que venías tomando o te cambiaron algo?
Lo del dolor de rodilla que no te dejaba ni subir los cuatro pisos después de bajar del tren me llegó, pasé algo parecido el año pasado. ¿Es crónico o fue algo puntual por estar tanto tiempo sentada escribiendo? Ojalá la foto desde la ventana del tren te haya dado aunque sea un rato de alivio.