"অনেকদিন বাদে বান্ধবীদের সাথে বেশ সুন্দর কাটলো আজকের দিনটা"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
মাঝখানে অনেকগুলো মাস কেটে গেছে। সিকিম থেকে ঘুরে আসার পর আর বান্ধবীদের সাথে সময় কাটানো হয়নি। তিন জনের একসাথে আর সময় হয়ে উঠছিলো না কিছুতেই। অবশেষে আজ সকলের সময় হওয়াতে, রাখির বাড়িতে একত্রিত হয়েছিলাম দুপুরবেলায়।
রবিবার থাকায় শুভর আজ অফিস বন্ধ ছিলো। অন্যান্য রবিবার আমিও অনেকটা দেরি করেই উঠি ঘুম থেকে। তবে আজ একটু তাড়াতাড়িই উঠে গিয়েছিলাম। শুভ তখনও ঘুমাচ্ছিলো, যে কারণে আগে উপরে গিয়ে ফুলতোলা থেকে শুরু করে, ঠাকুর শয়ন তোলা, ঠাকুর ঘরের সমস্ত কাজ গুছিয়ে নিয়ে, তারপর নিচে এসে ঘরের কাজ গোছলাম।
![]()
|
|---|
তখনও শুভ ওঠেনি দেখে আমি একেবারে স্নান সেরে পুজোর সম্পন্ন করলাম। তারপর নিচে এসে ওকে ডেকে দিলাম। ভেবেছিলাম ব্রেকফাস্ট এর জন্য সকালে বাড়িতেই রুটি তৈরি করবো, যাতে শুভ এবং আমি দুজনেই খেতে পারি। তবে দেখলাম সময়ের কাঁটা এগিয়ে চলেছে দ্রুত। তার উপর রবিবারের জন্য দুটো ট্রেন ক্যান্সেল হয়ে গেছে।
তাই যদি রুটি বানাতে যাই, তাহলে অনেকটা সময় লাগবে এবং ট্রেনটা পাবো না। মাঝের ট্রেনগুলো ক্যান্সেল, আর তারপরের ট্রেনটা হাবরা লোকাল, যেটা হাবরা পর্যন্তই যাবে। মছলন্দপুর পৌঁছানোর জন্য যে ট্রেন রয়েছে সেটা প্রায় দুপুরে এবং সেটাতে গেলে আমার ডাক্তার দেখানোর কাজটা হবে না।
শুভকে সে কথা জানাতেই বললো রুটি করা লাগবে না, ও বাইরে খেয়ে নেবে। তাই আমি অল্প একটু ছাতু খেয়ে নিলাম। তারপর তৈরি হয়ে একটু তাড়াহুড়ো করেই বেরিয়ে পড়লাম। টিকিট কেটে স্টেশনে পৌঁছাতেই ট্রেনের অ্যানাউন্সমেন্ট হলো।
![]()
|
|---|
আর কিছুটা দেরি হলেই এই ট্রেনটা পেতাম না। যাইহোক কিছুক্ষণের মধ্যে ট্রেন ঢুকলো। আমিও ট্রেনে উঠে পড়লাম। ট্রেন মোটামুটি ফাঁকাই ছিলো, যেহেতু রবিবার অফিসে যাওয়ার ভিড় তেমন ছিলো না।
কিছুক্ষণ বাদে মছলন্দপুর স্টেশনে নামলাম। সেখান থেকে আমার প্রথম গন্তব্য ছিলো হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের চেম্বার। তাই সোজা সেখানেই পৌঁছালাম। আমি ছাড়া আর দুই একজন রোগী ছিলেন। তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর ডাক্তারকে সমস্ত বিষয়টা খুলে বললাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
কোমরে কিভাবে চোট পেয়েছিলাম, কতখানি লেগেছিলো এবং সেই সময় এক্সরে করেছিলাম কিনা, বা ডাক্তার দেখিয়েছিলাম কিনা, কি ওষুধ খেয়েছিলাম। সমস্ত কিছু উনি জিজ্ঞাসা করেছেন। সবটা ওনাকে জানানোর পর, উনি আমাকে তিন সপ্তাহের জন্য ওষুধ দিয়েছেন। আগামীকাল থেকে সেই ওষুধের কোর্স শুরু করতে হবে।
ডাক্তার দেখানোর কাজ শেষ করে পৌঁছলাম অটো স্ট্যান্ডে, সেখানে অটোতে অনেকটা সময় ব্যয় হলো। কারণ অটো সম্পূর্ণ প্যাসেঞ্জারে ভর্তি না হলে, সেটা ছাড়ে না। তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর অটো ছাড়লো।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
অটোতে বসে পাশের দেওয়ালে দেখলাম একটা সিনেমার পোস্টার লাগানো আছে। যদিও এই সিনেমাটা দেখার আমার ইচ্ছে নেই। এর প্রথম পার্টটা দেখেছি যেটা খুবই ভালো ছিলো। তবে সেকেন্ড পার্টটা নাকি ততটাও ভালো হয়নি।
যাইহোক কিছুক্ষণের মধ্যেই অটো ছেড়ে দিলো এবং আমিও পৌঁছলাম রাখিদের বাড়িতে। ওখানে গিয়ে দেখি ওর রান্না বান্না সমস্ত কিছু শেষ হয়ে গেছে। সকালবেলা থেকেই ও সমস্তটা শুরু করেছিলো। আজ চিকেন বিরিয়ানি রান্না করেছে।
![]()
|
|---|
আমি যখন পৌঁছালাম তখন বিরিয়ানি অলরেডি দমে বসিয়ে দিয়েছিলো। হাড়ির গায়ে একটা ভেজা গামছাও দিয়েছে। সেটা দেখে আমি বেশ অবাক হলাম। দোকানের বিরিয়ানিতে একটা লাল রঙের কাপড় থাকে ঠিকই, তবে সেটা ভেজা থাকে না। রাখি এটা ভিজিয়ে দিয়েছে। পরে ওর কাছে শুনলাম যদি ভেজা থাকে, তাহলে ভিতরের ভাঁপটা নাকি বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে না।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
যাইহোক বিরিয়ানিটা খেতে অসম্ভব সুন্দর হয়েছিলো। আমি পৌঁছানোর পর ফ্রেশ হয়ে পিয়ালী, পিয়ালীর হাজব্যন্ড, আমি ও রাখি বেশ কিছুক্ষণ আড্ডা দিলাম। পরবর্তীতে আমরা কোথায় কোথায় ঘুরতে যেতে পারি, কোন সময় গেলেও সেখানকার ভিউ সব থেকে ভালো থাকবে, এই সমস্ত বিষয়ে গল্প হলো অনেকক্ষণ।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
তারপর আমরা সকলে মিলে খেতে বসলাম। যেমনটা আগেই বললাম, বিরিয়ানিটা খেতে অসম্ভব সুস্বাদু হয়েছিলো। ভেবেছিলাম খেতে বসে সকলে মিলে একটা গ্রুপ ছবি তুলবো, কিন্তু গল্পে গল্পে সেটা ভুলেই গিয়েছিলাম। খাওয়া-দাওয়া শেষ হতে আমাদের প্রায় সাড়ে তিনটে বেজে গেলো। তারপর আরও কিছুক্ষণ গল্প করে পিয়ালী এবং ওর হাজব্যান্ড বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করলো।
কিছুক্ষণ বাদে আমিও তৈরি হয়ে নিলাম বাড়ি ফেরার জন্য। যদিও আজ খুব বেশি সময়ের জন্য আমরা আড্ডা দিতে পারিনি, তবে প্ল্যান হয়েছে পুজোর সময় একটা দিন আমি গিয়ে ওখানে থাকবো। সেদিন আরও অনেকটা সময় ধরে আড্ডা দেওয়া হবে। সাথে থাকবে খাওয়া-দাওয়াও। দেখা যাক আগামী দিনে কি অপেক্ষা করছে।
সত্যি বলতে আগে থেকে প্ল্যান করলে কোনো কারণে যদি সেটা ভেঙে যায়, তাহলে বেশ খারাপ লাগে। তাই আমি আগে থেকে এখন আর তেমন কোনো প্ল্যান করি না। যদি হঠাৎ করেই সুন্দর সময় কাটানোর সুযোগ আসে, সেটাতেই খুশি হই। ঠিক যেমনটা আজকে হয়েছে।
গতকাল ফোনে কথা হওয়ার পরেই যখন ঠিক হলো আজ আমরা দেখা করবো। বেশ আনন্দ হলো এবং সবথেকে ভালো বিষয় হলো সেই প্ল্যানটা অবশেষে সফলও হলো। কম সময়ের জন্য হলেও অনেকদিন বাদে সকলের সাথে দেখা হওয়ায় বেশ ভালো লাগলো।
![]()
|
|---|
যাইহোক এরপর আমি তৈরি হয়ে অটোর জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম। তারপর অটোতে উঠে সোজা পৌঁছালাম স্টেশনে। ট্রেন আসতে একটু সময় লেগেছিলো। তারপর দত্তপুকুর স্টেশনে নেবে বাড়িতে ফিরলাম। বাড়িতে এসে সন্ধ্যা দেওয়ার কাজ শেষ করে, কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে, তারপর পোস্ট লিখতে বসলাম।
সারাদিনের কিছু মুহূর্ত আপনাদের সাথে ছবির মাধ্যমেও শেয়ার করলাম। আশাকরি আপনাদের সকলেরই পোস্টটা পড়ে ভালো লাগবে। আর আপনারাও যদি আপনাদের প্রিয় মানুষদের সাথে, এমন কিছু সুন্দর মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ মাঝে মধ্যে পান, তাহলে তা মিস করবেন না কোনোমতেই।
ভালো থাকবেন সকলে। শুভ রাত্রি।













Sounds like a wonderful reunion—did you notice any particular change in the way the flowers looked after the long break? 🌸✨👏
It was such a lovely and relatable way to describe your Sunday. It was very nice of you to give such minute details like rushing to catch the train, seeing the doctor and then at last meeting your friends after such a long time. Your biryani was mouthwatering while the wet towel method was very interesting to know about. Often times the most memorable things are the ones that we do not plan for beforehand. In spite of the cancelled trains, your packed schedule and short time, you were able to make some really great memories with your friends. It is also hoped that your medication works well for your back pain.
Bravo amigo 👏🏿 &
Steem on!!!
Beautiful and wholesome diary! It was lovely to read about how you finally managed to meet your friends after so many months. Sometimes, even a short gathering with people we care about can bring so much happiness and refresh our minds.
The chicken biryani prepared by Rakhi sounded absolutely delicious, and the details about the cooking process made me even more curious to try it! I also enjoyed reading about your train and auto journey, your visit to the doctor, and the conversations about planning future trips together. Most importantly, I really liked your thought that we should not always wait for perfect plans—sometimes the unexpected moments become the most memorable ones.
I hope your treatment goes well and you feel better soon. May you have many more opportunities to spend happy moments with your friends and create beautiful memories together. Thank you for sharing such a warm day with us!
#s34engagement.