ঈশার সাথে গনেশ চতুর্থীর কেনাকাটা

in Incredible India8 days ago

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারও নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।

IMG_20260913_225310.jpg

বাঙ্গালীদের বারো মাসে তেরো পার্বণ লেগেই থাকে। একের পর এক উৎসব চলতেই থাকে। আর কিছুদিন পরেই দুর্গাপূজা । বছরের শুরুতেই হয় গণেশ পূজা দিয়ে শুরু হয় ।গতকালকে গণেশ চতুর্থী। তাই আজকে বেরিয়ে পড়েছিলাম গণেশ চতুর্থীর কিছু কেনাকাটা করতে। তবে আমার বাড়ির জন্য নয় ঈশার বাড়িতে পূজোর জন্য। ওদের বাড়িতে মোটামুটি সব রকম পুজো হয়ে থাকে। তাই যখনই কিছু কেনাকাটা করতে যায় তখনই আমাকে সাথে করে নিয়ে যাই। আজ বিকেল বেলায় আকাশে ঘন কালো মেঘ করলেও বৃষ্টি এক ফোঁটা হয়নি। সন্ধ্যা ছটার সময় দুজনে রেডি হয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম কেনাকাটা করবার উদ্দেশ্যে। গোয়ারী বাজারে সেখানে দশকর্মার সমস্ত জিনিসপত্র পাওয়া যায়। এমনকি ফল থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুই পাওয়া যায়।

IMG20260913200311.jpg

গত কয়েক বছর ধরে কৃষ্ণনগরে খুব ধুমধাম সহকারে গণেশ পূজো উদযাপন করা হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে পুজো যেন বেড়েই চলেছে। অনেক বড় বড় গনেশ পূজা করা হয়। যাই হোক প্রথমে গোয়ারী বাজারে গিয়ে দশকর্মার কিছু জিনিসপত্র সমস্ত কেনাকাটা হয়েছিল ।এরপরে ফল থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুই যা যা ওই বাজারে পাওয়া যায় সমস্ত কিছু কেনাকাটা করে নিয়েছিলাম। এরপর কাকিমার ইচ্ছা যে ব্রাহ্মণে পুজো করে তাকে নতুন একটা বস্ত্র দেওয়ার জন্য পাশেই ছিল একটা দোকান সেখান থেকেই ঠাকুর মশাইয়ের জন্য একটা জামা কিনে নেওয়া হয়েছিল। এরপর দুজনের কিছু খাওয়ার ইচ্ছে করছিল। তাই ঈশা ওর বন্ধুকেও ফোন করে ডেকে নিয়েছিল তিনজন মিলেই বাইকে করে চলে গিয়েছিলাম একটু দূরেই একটা কলেজের বিরাট মাঠ রয়েছে সেখানে।

সেখানে প্রচুর মানুষ বসে সময় কাটাচ্ছিলেন ।এছাড়াও অনেকেই সন্ধ্যা বেলায় ইভিনিং ওয়ার্ক করতে বেরিয়ে পড়েছেন ।অনেকে দৌড়াদৌড়ি করছে। আবার অনেকে হাঁটাহাঁটি করছিল। আমরা কিছু খাবার ঝাল মুড়ি আর আইসক্রিম নিয়ে মাঠের ধারে বসে পড়েছিলাম। বসে খাবার গুলো খাচ্ছিলাম আর বিভিন্ন রকমের গল্প করছিলাম। অনেকদিন পর এভাবে মাঠে বসে সময় কাটানো হলো। খানিকক্ষণ সময় কাটিয়ে আবার চলে এসেছিলাম কিছু কেনাকাটা করবার জন্য বেরিয়ে পড়েছিলাম। কারণ সবশেষে ফুল কেনা বাকি ছিল। সেখান থেকে আরো কিছু পুজোর প্রয়োজনীয় জিনিস কিনবার ছিল। এরপর ফুলের দোকান থেকে বিভিন্ন রকমের ফুল কেনা হলো ।গণেশ পূজো তে যেটা বিশেষ করে লাগে সেটা হল দুর্বার মালা। গণেশ ঠাকুর কে নাকি দুর্বার মালা দিতে হয় ।এছাড়াও আরও অনেক ফুল কেনা হলো এছাড়াও একটা গোলাপের মালা বানিয়ে নেওয়া হয়েছে গণেশকে পড়াবে বলে।

এদিকে কোথাও গণেশের জন্য লাড্ডু পাওয়া যাচ্ছিল না। যাই হোক বাড়ি ফিরবার পথে হঠাৎ করেই চোখে পড়লো একটা দোকান থেকে কোন রকমের কয়েকটা প্যাকেট লাড্ডু পাওয়া গিয়েছিল। এ সমস্ত কিছু কেনাকাটার করার পর বাড়ির কাছে থেকে একটা দোকান থেকে প্রয়োজনীয় প্রচুর মিষ্টি কেনা হয়েছিল ।এরপর সাড়ে আটটা নাগাদ দুজনেই চলে এসে ছিলাম বাড়িতে ।পুজোর সমস্ত কিছু কেনাকাটা করে এমনকি সুন্দর একটা সময় কাটিয়ে বাড়ি চলে এসেছিলাম। নিজের বাড়িতে গণেশ পুজো না হলেও ঈশাদের বাড়িতে পুজো হয় সত্যিই নিজের বাড়ির মত করে ভীষণ ভালো লাগে। আজ এখানেই শেষ করলাম ।গতকালকে পুজোর সমস্ত কিছু মুহূর্তই আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করব।


আবার নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। সকালে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Sort:  
Loading...
 7 days ago 

Lovely and festive diary! I really enjoyed reading about your Ganesh Chaturthi shopping experience. It sounds like you had a busy but enjoyable evening, from buying puja essentials, fruits and flowers to finding the special durba garland and laddus for Lord Ganesha.
I especially liked the part where you, Isha, and her friend sat beside the college field enjoying jhal muri and ice cream while talking and watching people walk and exercise. Sometimes these simple moments with friends become the sweetest memories. It is also beautiful that you feel so connected to Isha’s family and their celebrations, even though the puja is not held at your own home.
Thank you for taking us along through your words and pictures. I hope the Ganesh Chaturthi celebration brings happiness, peace, and prosperity to everyone.

#s34engagement.