আজকে সকালে কাটানো সুন্দর মুহূর্ত
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
গতকাল ছিল কোজাগরি লক্ষ্মীপুজো। বাঙ্গালীদের প্রত্যেক ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজো হয়ে থাকে। আমাদের বাড়িতে ও হয়েছিল ।তবে সেই পোস্ট পরে শেয়ার করে নেব। আজকে সকালের সুন্দর মুহূর্ত আপনাদের মাঝে ভাগ করে নেব। আজকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল ।আপনারা মোটামুটি সকলেই জেনে ফেলেছেন যারা আমার পোস্ট প্রতিনিয়ত পড়েন আমি কিছুদিন হল সকালবেলায় মর্নিং ওয়াক শুরু করেছি। এখন একটা অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। যদি মনে করি যে যাবো না তাহলেও আপনা আপনি ঘুম ভেঙে যায়। সময়ের সাথে সাথে মানুষ কতটা পরিবর্তন হয়। যে মেয়ে সকাল নটার আগে বিছানা ছাড়তো না তার ঘুম ভোর পাঁচটাতেই ভেঙে যাচ্ছে। আমাকে দেখে বেশ কয়েকজন আশ্চর্য হচ্ছে।
বেশ কিছুদিন ধরে শাশুড়ি মায়ের প্রচন্ড শরীর খারাপ। তাই সেই ফাঁকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে সকালের কিছু কাজকর্ম করে তবেই আমাকে মর্নিং ওয়াকে বেরোতে হয়।। যদি ঘুম থেকে না উঠতাম উনাকে কষ্ট করে সমস্ত কাজ করতে হতো।আজকে দেরি হওয়ার কারণে মামার মেয়েকে ডেকে নিয়ে বেরোতে বেরতে ছটা বেজে 10 মিনিট হয়ে গিয়েছিল। আমাদের পাশেই রয়েছে জেলরোড। সে রাস্তা দিয়েই প্রচুর মানুষ হাঁটাহাঁটি করে। বেশ কিছুদিন হাঁটতে হাঁটতে তাদের সাথে পরিচয় হয়ে গেছে ।আমাকে অনেকে দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞেস করছে আজকে এত দেরি হল কেন। অনেকের প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে একটু এগোতেই দেখি এক গাছের মাথায় এক ঝাঁক বাদুর উড়ে বেড়াচ্ছে।।
তাদের তখন সন্ধ্যাবেলা, সেই জন্যই হয়তো সকলে মিলে একসাথে কিচিরমিচির শুরু করে দিয়েছে । রাস্তায় বেরোলে কিছু কিছু ভালো জিনিস আগেই চোখে পড়ে যায়।কিছু জন আবার গাছে ডালে ঝুলছে। একসাথে প্রচুর বাঁদর একসাথে উড়তে দেখে বেশ ভালো লাগছিল ।বোন সাথে সাথে বলল দিদি একটা ছবি তুলে নে। আবার দেখি সকাল সকাল প্রচুর হনুমান রাস্তায় বসে আছে। সকাল সকাল তারাও যেন ঘুম থেকে উঠে পড়েছে। যাই হোক আজকে সকালের এই সুন্দর মুহূর্তে বোনকে বললাম চল আজকে তোকে অনেক লক্ষ্মী ঠাকুর দেখাতে নিয়ে যাব। এই বলে ওকে নিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। এদিকে সূর্যি মামা তখন উঠে পড়েছে। আর গায়ে রোদ লাগলে বেশিক্ষণ হাঁটা যায় না। তবুও এখন ঠান্ডা পড়ে গেছে ।ভোড়ের দিকে বেশ ঠান্ডা পড়েছে। শাশুড়ি মা বারবার বলছিল একটা ওড়না মাথা দিয়ে জড়িয়ে নিয়ে যাও। না হলে ঠান্ডা লেগে যাবে।
দুই বোন মিলে চললাম ঠাকুর দেখতে, কৃষ্ণনগরে বেশ বড় বড় লক্ষ্মীপুজো হয়। বোনকে হাত ধরে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বেশ কয়েকটা ঠাকুর দেখিয়ে ফেলেছিলাম।এর আগে কখনো লক্ষ্মী ঠাকুর দেখতে বের হয়নি।এরপর দুজনে মিলে বাড়ি ফেরার পালা। প্রত্যেক দিন সকালবেলাতে আট থেকে দশ কিলোমিটার হেঁটে শরীরটাও যেন ভীষণ ভালো লাগে। তবে গতকালকে মা ছোট বোন দুজনে এসেছে একজনকে ঠাকুর দেখানো হয়েছে তো তো একজনকে বাকি রয়ে গেছে। তাকেও দেখাতে হবে। আজকে সোমবার। তাই সকালে তাড়াতাড়ি স্নান সেরে মহাদেবের পুজো সেরে নিয়েছিলাম।আজকের এই সুন্দর সকালের মুহূর্তটা আপনাদের সাথে ভাগ করে নিলাম।
আজ এখানে শেষ করলাম ।আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হচ্ছি আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
Thank you 🙏