চতুর্থীর দিন সকালে মর্নিং ওয়ার্কে গিয়ে মায়ের দর্শন
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
গতকাল ছিল চতুর্থী। সকলকে দুর্গাপূজায় শুভ শারদীয়ার অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সকলেই পুজো খুব ভালোভাবে কাটান। তবে এ বছরে আমার পুজো নিয়ে তেমন কোন প্ল্যান নেই। বেশ কিছুদিন ধরেই সকালবেলায় হাঁটা শুরু করেছি ।সেটা তো আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিয়েছিলাম। সকাল বেলায় হাঁটার সঙ্গী আমি আমার মামার মেয়েকে করে নিয়েছি। সেও হাঁটতে পছন্দ করে। মাঝে মাঝে ভোর বেলায় ঘুম না ভাঙ্গলে বোন ঘুম থেকে ডেকে তোলে। সকাল বেলায় ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়াতে হাঁটতে ভীষণ ভালো লাগে। বেশ কিছু বছর সকাল ন'টা দশটার আগে ঘুম ভাঙতো না ।সেই তুলনায় এখনকার নিজের লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করে বেশ ভালো লাগছে।
এখন শহর জুড়ে পুজোর আমেজ। শুধু যে সন্ধ্যার পরে পুজো পুজো মনে হয় এমনটা নয়। সকালবেলায় অনেকেই ফাঁকায় ফাঁকায় চলে যায় মায়ের দর্শন করতে। সন্ধ্যা বেলায় কমবেশি ভিড় হয়েই থাকে। আমিও বোনকে বলেছিলাম সকালবেলায় হাঁটতে বেরিয়ে ওকে বেশ কিছু ঠাকুর দেখাবো ।কারণ সন্ধ্যার সময় ঠাকুর দেখতে যাওয়ার ইচ্ছে একেবারেই নেই। যত দিন যাচ্ছে ততই সমস্ত কিছু যেন হারিয়ে যাচ্ছে। কৃষ্ণনগরে বেশ কিছু বারোয়ারিতে খুব ধুমধাম না করে না হলেও মোটামুটি ভাবে দুর্গাপুজো হয়।
তবে আমরা ছোট থেকে দেখে আসছি আমাদের কাছেই তরুণ সংঘ বলে একটি ক্লাব রয়েছে সেখানে বেশ বড় করে জাঁক চমকভাবে দুর্গাপূজা করা হয় ।ওখানে প্রচুর মেলা বসে ।এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র বিক্রি হয়। ছোট থেকে আমাদের দুর্গাপূজা দেখা মানে ওই তরুণ সংঘের দুর্গা ঠাকুর দেখতে যাওয়া। সেদিন বোনকে সকালবেলায় হাঁটতে হাঁটতে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন ওখানে দুর্গা ঠাকুর দেখতে। সকাল বেলায় একদমই ফাঁকা মানুষজন নেই বললেই চলে ।শুধুমাত্র একজন মহিলা অপেক্ষা করছিল ওখানে ছবি তোলার জন্য।
সে কোনো সঙ্গী না পাওয়ার জন্য বেশ খানিকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছিল। আমরা ঢুকতেই আমাদের বলল আমাদের আমাকে একটু ছবি তুলে দেবে ।তখন মামার মেয়েকে বললাম যা গিয়ে কয়েকটা ছবি তুলে দে। এখনকার বাচ্চারা তো ফোন পেলে আর কিছু চায়না। বলা মাত্রই বোন গিয়ে মহিলাটাকে কয়েকটি ছবি তুলে দিল। উনি খুশি হয়ে আমাদের ছবি তুলে দেওয়ার জন্য বলছিল।কিন্তু আমরা তুলতে চাইনি এরপর আমরা ওখানকার ঠাকুর দর্শন করে প্যান্ডেলটা দেখে আবারো রওনা দিয়েছিলাম বাড়ির পথে। এখানকার ঠাকুর টা অসাধারন হয়।
কারণ তখন হালকা রোদ্দুর উঠে গেছে। রোদ উঠে গেলে আর হাঁটা যায় না। গতকালকে শুধু ওই একটাই ঠাকুর বোনকে দেখানো হয়েছিল। এখনো প্রচুর ঠাকুর রয়েছে মর্নিং ওয়াকে বেরিয়েই সমস্ত ঠাকুর দেখানো কমপ্লিট করে দেব। এক কাজে দুই কাজ সারা হয়ে যাবে। ভিড়ের মধ্যে সেজেগুজে ঠাকুর দেখতে বেরোতে এখন একদমই ভালো লাগেনা। তবে একদমই ইচ্ছে নেই বললে চলবে না ।একদিন হলেও বেরোতেই হবে। কারণ আমার একজন তো আছেই জোর করার জন্য।
আজ এইখানেই শেষ করছি। আবার নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।




Thank you 🙏