বাইরে ঝড়
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
এই আষাঢ়ে গল্প হোক—
সব কথা সত্যি হওয়ার দায়
আজ একটু নামিয়ে রাখি।
বলতে পারো, আসার পথে
বৃষ্টি তোমাকে চিনে থেমেছিল;
আমি তোমার ভেজা জামার দিকে তাকিয়ে
কথাটা মেনে নেব।
অনেক দিন আমরা শুধু খবর দিয়েছি—
কাজের চাপ, শরীরের অবস্থা,
মাসের শেষে কতটা বাকি।
কথা শেষ হলে মনে হয়েছে
দুজনের জীবনের বিবরণ পেলাম,
দুজনকে পেলাম না।
আজ নদীর গল্প বলো।
সেই নদী, যার ধারে কখনও যাইনি,
অথচ ছোটবেলার আঁকায়
প্রতিবার একটি নৌকা রেখেছি।
বলতে বলতেই যদি পাড় ভেঙে যায়,
আমরা মাঝির কাছে
আরও একটু জায়গা চাইব।
বাইরে জল জমছে।
নিচের দোকানদার চালের বস্তা
উঁচু করে রাখছেন।
এই বৃষ্টির মধ্যে কারও ছুটি,
কারও সারারাত জেগে থাকা।
আমাদের গল্পে তাঁর জন্যও
একখানা শুকনো মেঝে থাক।
তুমি বলতে গিয়ে থেমে গেলে
আমি বাকিটা বানিয়ে দেব না।
চুপ করে থাকারও তো
নিজস্ব আবহাওয়া আছে।
টিনের চালে যতক্ষণ জল পড়বে,
ততক্ষণ অপেক্ষা করা যায়।
তারপর হয়তো বলবে
যে কথাটি এত দিন বলতে পারোনি।
তার জন্য কোনো উপমা লাগবে না।
আমি জানালা থেকে সরে এসে
তোমার সামনে বসব।
এই আষাঢ়ে গল্প হোক।
ভুলে যাওয়া নাম ফিরে আসুক,
অসম্ভব কোনো ট্রেন
আমাদের হারানো বিকেলে পৌঁছে দিক।
আমরা জানব, এমন হয় না—
তবু কিছুদূর যাই।
রাত বাড়লে ফিরতে হবে।
রাস্তার জল, ভেজা জুতো,
কাল সকালের কাজ—সবই থাকবে।
দরজার কাছে এসে তুমি বলবে,
একটা কথা এখনও বলা হয়নি।
আমি ছাতাটা বন্ধ করে
আবার ভেতরে রাখব।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



