খারাপ ফলাফল কি জীবনের শেষ অধ্যায়?
copyright free image from Puxabay
জীবনে এমন কিছু মুহুর্ত আসে যখন একটি কাগজের টুকরো আমাদের কাছে পুরো পৃথিবীর চেয়েও ভারী মনে হয়। আজকে এইস এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট পাবলিশ হয়েছে। এ বছর এইস এস সি তে গড় রেকর্ড পাসের হার! মাত্র ৫২% পাশ করতে পেরেছে। তার মানে অর্ধেক শিক্ষার্থী ফেল করেছে। এই রেজাল্ট কি রিপ্রেজেন্ট করে আসলে! আপনি বিগত বছরগুলোতে যদি তাকান তাহলে দেখতে পাবেন পাশের হার ও জিপিএ-৫ হার অনেক বেশি ছিল।
এবারই ২০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে কমপাশের হার!! এর বেশ কিছু কারণ স্পষ্ট। তার মধ্যে একটি হচ্ছে মোবাইল আসক্তি, পড়াশোনার প্রতি শিক্ষার্থীদের প্রচন্ড অনীহা! তবে এটাও ঠিক এবারের পরীক্ষাগুলোতে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা ছিল। অনেক জায়গায় বন্যা হয়েছিল এর জন্য বেশ কিছু কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় দিতে পারেনি। আবার এবার সারা দেশে এইস এস সি শিক্ষার্থীরা একই প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছিল। এবারের পরীক্ষার প্রশ্নও তুলনামূলক ত্রুটিপূর্ণ ছিল। আবার কিছুটা কঠিনও ছিল বলা যায়।
এবারের পরীক্ষায় খাতার মূল্যায়নও ভিন্নভাবে হলো। তার মানে যে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে প্রশ্ন আনসার করতে পারছে তারাই কেবল পরীক্ষায় ভালো মার্কস পেয়েছে। এবারের চিত্রটা কিছুটা ভিন্ন। কারণ ফেলের হারটা বেশি। আমার কাছে এটা পজিটিভই মনে হয়েছে। কারণ এবারই রেজাল্টের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এবার অনেক শিক্ষার্থীর প্রত্যাশিত রেজাল্ট আসেনি। আবার অনেকেই পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। এমতাবস্থায় আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যর্থ শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়ানো! বিশেষ করে পরিবারের ভূমিকা এখানে সবচেয়ে বেশি।
কারণ ব্যর্থতা মানে জীবনের শেষ নয় বরং সেটা শুরু। যারা আজ ব্যর্থ হয়েছে তাদের রাস্তা যে বন্ধ হয়ে গেছে ব্যাপারটা এমন নয়! জীবনের এখনও দীর্ঘ একটা পথ বাকি। আমাদের দরকার শুধু মনোবল। আর মনোবল নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই হলো জীবন। আজ যারা ব্যর্থ হয়েছে তারা কাল সফল হবে। এজন্য এবার যারা পরীক্ষায় খারাপ দিয়েছে তাদেরকে অনীহা করা উচিত নয়। বরং তাদের পাশে দাড়ানো উচিত।
আমরা কিন্তু প্রায়ই সফল মানুষের গল্প শুনি কিন্তু তাদের ব্যর্থতার দিনগুলোর কথা ভুলে যাই। অথচ জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা আসে ভুল সিদ্ধান্ত, অপূর্ণ প্রত্যাশা এবং কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে। ব্যর্থতা তখনই অর্থবহ হয়ে উঠে যখন আমরা সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের পরিবর্তন করার চেষ্টা করি।
Ese dato del 52% de aprobación en los exámenes HSC es realmente impactante, pero coincido totalmente con tu reflexión sobre el rol de la casa. En mi experiencia con mi familia, los tropiezos académicos no definen el futuro de un joven si cuenta con el liderazgo y el apoyo adecuado en el hogar para aprender del error.
Noté que la tasa de aprobación bajó al 52 %, como si la receta del examen hubiera perdido la sazón. La foto de la hoja de resultados me recordó a una masa que no levanta; el sabor del aprendizaje necesita más tiempo de fermentación. ¿Qué estrategia proponés para que ese “mixto” de motivación y estudio quede genial?
En mi rutina suelo reflexionar sobre ese 52 % de aprobados que menciona el post; lo que me funciona es ver los resultados como una fase, no como el final.