বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি ( পর্ব-৩)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। আজকে বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির পর্বের শেষ পর্ব শেয়ার করবো। খুব বেশী ফটোগ্রাফি করি নাই তাই দ্রুত শেষ করে দিলাম। আসলে আমি আগের পর্বে লিখাগুলোতে বলেছি পরিবেশটা তেমন ছিলো না। যদিও ভবনগুলো বেশ নান্দনিক ও সুন্দর ছিলো, এবং ভীষন রকমের ভঙ্গুর অবস্থায় ছিলো। কারণ যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষ হতে তেমন কোন সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়া হয় নাই, যার কারণে এমন অবস্থা।
আরো একটা বিষয় ছিলো সেটা হলো যারা এখন সেখানে বসবাস করছেন তাদের অবস্থা আরো বেশী নাজুক। এটা অবশ্য সব সময়ই হয়ে থাকে, যারা খুব প্রতাপশালী কিংবা জমিদার লেভেলের হয়ে থাকেন, একটা পর্যায় শেষে তাদের বংশের মানুষগুলো খুব বেশী অভাব অনটনে কিংবা দুর্বিষহ জীবন কাটাতে হয়। এটাই নির্মম বাস্তবতা, কালের বিবর্তনে বংশ পরম্পরায় সব কিছু পাল্টে যায়। তবে আমরা এটা নিশ্চিত হতে পারি নাই, এমন অবস্থায় সেখানে যারা আছেন তারা কি সেই জমিদারের বর্তমান পুরুষ নাকি তারা খালি জায়গা পেয়ে এমনভাবে বসবাস করছেন।
যেহেতু কথা বলার মতোন তেমন কাউকে সেখানে পাইনি, খুব সামান্য কয়েকজন মানুষই সেখানে ছিলেন যারা হয়তো আমাদের মতো মিডিয়ায় ফিচার দেখে দর্শন করতে এসেছিলেন। তাই পেছনের দিকটা ঘুরে দ্রুত আমরা সেখান হতে ফিরে আসার চেষ্টা করলাম। কারণ সেখানে থাকা মানেই শুধু সময় নষ্ট করা। অবশ্য ভবনগুলোর ভেতরে প্রবেশ করতে পারলে হয়তো কিছুটা ভিন্ন অভিজ্ঞতা নেয়ার সুযোগ পেতাম, সেটার অবশ্য কোন সুযোগ ছিলো না।
আমরা যে অটোরিক্সা করে সেখানে গিয়েছিলাম তাই সেটাকে আর ছাড়ি নাই ভাড়া না দিয়েই সেটাকে আটকে রেখেছিলাম। অবশ্য আসার সময়ই সেই অটোরিক্সাওয়ালা বলেছিলেন সেখানে দেখার মতো তেমন কিছু নেই এখন। সব কিছুই নষ্ট হয়ে গেছে, অনেক জায়গা দখল হয়ে গেছে, খুব প্রতাপশালী একটা জায়গা ছিলো এটা যার কোন চিহ্নই নেই এখন। শুধুমাত্র অবহেলায় দাঁড়িয়ে থাকা ভঙ্গুর এই বাড়িগুলো ছাড়া। আমরা আসলেই এমন সব কিছু দ্রুত মুছে ফেলি।
তখন প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিলো, চারপাশে কৃষিজমি যদিও সেগুলোও দ্রুত ভরাট হচ্ছিলো, সন্ধ্যার শেষ মুহুর্তে সেই দৃশ্যগুলো আরো সুন্দর হয়ে উঠেছিলো। রক্তিম সূর্যের এমন কিছু দৃশ্য আমরা ক্যাপচার করি তারপর সড়কের পাশে থাকা ফুডকোর্টে চলে যাই আমরা। উদ্দেশ্য মুখরোচক কিছু খাবারের মাধ্যমে অনুভূতির পুর্ণতা আনার চেষ্টা করা। বেশ কিছুটা সময় অপেক্ষা করে খাবার খেলাম তারপর দ্রুত আবার বাড়িতে ফিরে আসলাম, তবে ভ্রমণের অনুভূতিটা খুব একটা সুখকর বা স্মৃতিময় হয় নাই।
তারিখঃ এপ্রিল ১৭, ২০২৬ইং।
লোকেশনঃ বিরুলিয়া, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR









Thank you for sharing on steem! I'm witness fuli, and I've given you a free upvote. If you'd like to support me, please consider voting at https://steemitwallet.com/~witnesses 🌟