পাঠকের ভালো লাগা, লেখকের অনুপ্রেরণা।
লেখালেখি কেবল কিছু শব্দের সমন্বয় নয় বরং ভেতরে জমে থাকা ভাবনাগুলোকে অন্যের অনুভূতির সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার এক অনন্য প্রচেষ্টা।
কখনো লেখা পাঠককে ভাবায়, কখনো হাসায়, কখনো আবেগাপ্লুত করে, আবার কখনো জীবনের কোনো পরিচিত বাস্তবতাকে নতুন করে উপলব্ধি করতে শেখায়। আর যখন কোনো পাঠক আন্তরিকভাবে জানান যে লেখাটি তার ভালো লেগেছে, তখন সেই স্বীকৃতি লেখকের কাছে নিছক প্রশংসা হয়ে থাকে না, বরং তা হয়ে ওঠে এগিয়ে চলার সাহস ও শক্তি।
লেখকের কাছে পাঠকের প্রতিটি আন্তরিক মন্তব্য, সামান্য প্রশংসা কিংবা ভালো লাগার প্রকাশও অনেক মূল্যবান।
লেখার পেছনে থাকে সময়, শ্রম, চিন্তা, অনুভূতি এবং কখনো কখনো নিজের ভেতরের না-বলা কথাগুলোকে প্রকাশ করার নিরন্তর চেষ্টা। পাঠকের ভালো লাগা সেই চেষ্টাকে সার্থকতার অনুভূতি দেয়, নতুন করে ভাবতে শেখায় এবং আরও ভালো কিছু লেখার তাগিদ জোগায়।
সব লেখাই যে সবার ভালো লাগবে, এমন কোনো কথা নেই। প্রত্যেক পাঠকের চিন্তা, রুচি ও উপলব্ধির জগৎ আলাদা।
তবুও লেখার মধ্য দিয়ে যদি অল্প কিছু মানুষের মনেও সামান্যতম দাগ কাটা যায়, যদি কোনো বাক্য কারও মনে দীর্ঘক্ষণ থেকে যায়, কিংবা কোনো ভাবনা কাউকে নতুন করে ভাবতে শেখায়, তাহলেই লেখকের পরিশ্রম অনেকাংশে সার্থক হয়ে ওঠে।
