বাঁশ
ব্রাদার, খাড়ার উপর লম্বা বাঁশ খাইতে চান? তাইলে নিজের লোকের মধ্যেই টাকা-পয়সার লেনদেন করুন। বাইরের মানুষের সঙ্গে এত ঝামেলায় যাওয়ার কী দরকার! নিজের লোক, নিজের মানুষ,বিশ্বাসও থাকবে, লেনদেনও হবে, আর শেষে বাঁশটাও নিজের লোকের কাছ থেকেই খাওয়া হবে।
তবে লেনদেনের আগে একটু সাবধানতা অবলম্বন করবেন। কে কত নিল, কে কত দিল, কার ভাগে কত পড়ল,এসব হিসাব-নিকাশ পরিষ্কার রাখবেন। কারণ হিসাবের গরমিল হলে পরে কিন্তু বাঁশের দৈর্ঘ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে!
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,বাঁশের সাইজ আগে দেখে নেবেন। চিকন বাঁশ হলে হয়তো সহনীয় পর্যায়ে থাকবে, কিন্তু বাঁশ যদি মোটা হয়, লম্বা হয় এবং অভিজ্ঞ হাতে পরিচালিত হয়, তাহলে পরিস্থিতি একটু জটিল হতেই পারে।
তারপর যদি ব্যথা লাগে, হাঁটতে কষ্ট হয়, বসতে সমস্যা হয় কিংবা কয়েকদিন মনে মনে আফসোস করতে হয়,সেজন্য কিন্তু কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা যাবে না। কারণ সিদ্ধান্ত আপনার, লেনদেন আপনার, আর বাঁশও আপনার পছন্দ করা!
সবশেষে একটা কথা,নিজের লোকের ওপর অতিরিক্ত আস্থা রাখার আগে অন্তত একবার ভেবে দেখবেন, লোকটা সত্যিই নিজের, নাকি বাঁশ দেওয়ার সময়ই শুধু নিজের হয়ে যায়!
যাইহোক, খেলা যখন নিজেদের মধ্যে, নিয়মও নিজেদের,
শুধু বাঁশের সাইজ মোটা হলে পরে যেন আবার কেউ না বলে, ভাই, এত বড় বাঁশ দেওয়ার কথা তো ছিল না!
