চশমা বানাতে গিয়ে রসনাতৃপ্তি
নমস্কার বন্ধুরা,
কলকাতার বুকে এমন কিছু জায়গা আছে, যা আমার কাছে এখন অভ্যাসের মতো। যেমন চশমার ঠিকানা বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিট। কদিন আগে এক বন্ধু কলকাতা এসেছিল মূলত চশমা বানানোর উদ্দেশ্যে। তাকে নিয়ে গেছিলাম ওই বিপিন বিহারী গাঙ্গুলি স্ট্রিটেই। প্রায় কয়েকশো দোকানের মধ্যে একটায় আমি সাত বছর ধরে চশমা বানিয়ে আসছি। বন্ধুকেও সেখানে নিয়ে গেলাম। পছন্দ অনুযায়ী নতুন একটা ফ্রেম ফাইবারের সেট নেওয়া হলো, আর ওর একটা ভাঙ্গা ফ্রেম ছিল যেটার ফাইবার লেন্সগুলো অক্ষত তাই সেটার একটা নতুন ফ্রেম। বেশ কয়েকটার মধ্যে দুটো পছন্দ হলো, আমাদের সময় লাগল মোটে আধ ঘণ্টা। বানাতে সময় লাগবে ৪৫ মিনিট। হাতে কিছুটা সময় পেয়ে ছুটলাম পেটের তাগিদে।
বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিট একেবারে লালবাজারের নাকের ডগায় তাই চারধারে খাবারের দোকানের রীতিমতো ছড়াছড়ি। তবে ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল গড়িয়ে এসেছে, ফলে অফিস টাইমের ভিড় বেশিরভাগ দোকানের হাঁড়ির তলানিই সাফ করে গেছে। খিদে পেটে হাঁটতে হাঁটতে এগোতে এগোতে রাস্তার পাশে তন্দুর নজর এলো। সামনে দাঁড়িয়ে দেখি সবজির সসপেন গুলো প্রায় ফাঁকা। সয়াবিন আছে দেখে দুটো করে গরম রুটি সয়াবিন দিতে বললাম। তৎক্ষণাৎ রুটি বেলে তন্দুরে চালান হয়ে গেলো, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে রুটি প্রস্তুত। সয়াবিনের গ্রেভিতে চুবিয়ে চুবিয়ে রুটি মুখে তুলতে শুরু করলাম। গরম রুটি আর ঝাল গেভিতে জিভ আনন্দে নেচে উঠল। তারপর আরও দুটো তন্দুরি রুটি আর চানা মশলা নিলাম। আহা! খিদের পেটে দুর্দান্ত স্বাদে রসনা পূর্তি করলাম।
খাওয়া দাওয়া সারতে সারতে ত্রিশ মিনিট পেরিয়ে গেছে। টাকা মিটিয়ে এগোতে শুরু যখন বি. বি. গাঙ্গুলি স্ট্রিটের দিকে। ততক্ষণে দুটো চশমাই প্রস্তুত । আমার যাওয়ার পরে চশমার ফিটিং ঠিক করা হলো। সেখানে টাকা দিয়ে আমরা ঘরে ফেরার জন্য রওনা হলাম।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS





