বৃত্তে
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
নিজের বৃত্তে থাকতে থাকতে
পৃথিবীকে বেশ চেনা মনে হয়।
একই দোকান, একই পথ,
একই কয়েকটি মানুষের কাছে
নিজের কথার সমর্থন পাওয়া।
যা বুঝি না, তার নাম দিই বাড়াবাড়ি।
যা পারিনি, বলি প্রয়োজন ছিল না।
এইভাবে চারপাশে
একটি নিচু দেয়াল ওঠে—
বাইরে থেকে চোখে পড়ে না,
ভেতর থেকে দিগন্ত ঢেকে যায়।
একসময় এই আড়াল দরকার ছিল।
কিছু প্রশ্ন ক্ষত ছুঁয়ে যেত,
কিছু সান্নিধ্যে ফিরে পেতাম
নিজেকে ছোট করে রাখার পুরোনো অভ্যাস।
দরজা বন্ধ করে প্রথমবার
নিজের শ্বাস শুনেছিলাম।
তারপর বহুদিন
কেউ কড়া নাড়েনি।
আমি সেটাকেই শান্তি ভেবেছি।
ঘরের চেয়ারগুলো এমনভাবে সাজিয়েছি
যাতে একাই সব কাজে লাগে।
একটিতে বসি, অন্যটিতে বই,
আরেকটিতে জমে থাকে
ভাঁজ না-করা জামাকাপড়।
অতিথির কথা মনে হলে
প্রথমে অসুবিধেগুলো মনে পড়ে।
নিজের বৃত্তে
আমি যতবার বিচারক হয়েছি,
প্রায় প্রতিবারই
নিজেকে নির্দোষ পেয়েছি।
অথচ গভীর রাতে কখনও
অন্যের মুখে বলা আমার একটি বাক্য
আমারই দিকে ফিরে আসে।
তখন বোঝা যায়,
এখানেও প্রতিধ্বনি আছে।
গতকাল পাশের বাড়ির মানুষটি
একটি মই চাইতে এসেছিলেন।
আমাদের তেমন আলাপ নেই।
মইয়ের একদিক ধরে
তাঁর উঠোন পর্যন্ত গেলাম।
দেখলাম, আমার জানালা থেকে
যে গাছটিকে শুকনো মনে হয়,
তার অন্য পাশে ফুল হয়েছে।
ফিরে এসে
সব অভ্যাস বদলে ফেলিনি।
শুধু জামাকাপড়গুলো গুছিয়ে
একটি চেয়ার খালি করলাম।
কেউ আসবে কি না জানি না।
আজ ওইটুকু জায়গায়
কিছু রাখলাম না।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



