ব্যথা
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
ক্যালেন্ডারে এখন সব কিছুর জায়গা আছে—
কাজ, ছুটি, কারও জন্মদিন।
শুধু যে বিকেলে কোনো কারণ ছাড়াই
তোমার পাশে বসেছিলাম,
সেটুকু কোথায় রাখব, বুঝে উঠি না।
তখন রোদ এসে পড়ত পাঁচিলের গায়ে,
আমরা তার সরে যাওয়া দেখতাম।
কথা শেষ হয়ে গেলেও উঠতে হতো না;
চুপ করে থাকার জন্য
কোনো ব্যাখ্যা চাইত না কেউ।
তারপর ধীরে ধীরে শিখেছি—
কোথায় থামতে হয়, কতটুকু বলা যায়,
কোন সম্পর্কের সামনে
নিজের ক্লান্তিটুকুও গুছিয়ে রাখতে হয়।
সময় বাঁচানোর কত ব্যবস্থা করেছি।
ছোট করেছি দুপুরের খাওয়া,
ফোনে কথা, বাড়ি ফেরার পথ।
বেঁচে যাওয়া মিনিটগুলো কখন যে
আবার কাজের মধ্যে ঢুকে গেছে, খেয়াল করিনি।
তোমার সঙ্গে দেখা হলে এখন
দুজনেই বলি, একদিন বসতে হবে।
তারপর ফোনে তারিখ খুঁজি—
একটির সঙ্গে আরেকটি মেলে না।
এই পর্যন্তই কথা এগোয়।
আজ পুরোনো একটা ছবি পেলাম।
পেছনে সেই পাঁচিল,
আমাদের মুখে বিকেলের শেষ আলো।
ছবিটা কে তুলেছিল মনে নেই;
সেদিন বাড়ি ফিরতে দেরি হয়েছিল, মনে আছে।
অনেকক্ষণ ছবিটা হাতে নিয়ে বসে থাকি।
আগামীকালের অ্যালার্ম ঠিক করা আছে।
তবু আলো নেভাতে ইচ্ছে করে না—
এতদিন পরে ওই বিকেলটাকে
আবার তাড়াহুড়ো করে শেষ করতে পারি না।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



