অজান্তে
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
রাজনীতির হাওয়ায়
প্রথমে পতাকা নড়ে,
তারপর পাড়ার মানুষের
পরস্পরকে ডাকার ভঙ্গি।
যে ছেলেটি গত বর্ষায়
আমাদের ঘরে বালির বস্তা দিয়েছিল,
আজ তার নাম বলার আগে
লোকেরা জানতে চায়—
সে কোন দিকে?
চায়ের দোকানে বেঞ্চ একই আছে।
তবু বসার জায়গা বদলে গেছে।
এক কাপ চা ঠান্ডা হয়
পুরোনো বন্ধুর সামনে;
কেউ প্রথম চুমুক দিতে পারে না।
দেওয়াল নতুন রং পায়।
রঙের নিচে চাপা পড়ে
হারিয়ে যাওয়া মেয়েটির ছবি,
রক্তের আবেদন,
একটি ঘর ভাড়া দেওয়ার খবর।
দূর থেকে দেওয়ালকে
খুব ঐক্যবদ্ধ দেখায়।
মঞ্চে যিনি মানুষের কথা বলেন,
তাঁর কাছে পৌঁছতে
মানুষকেই কয়েকবার সরিয়ে দেওয়া হয়।
সামনের সারিতে জল থাকে,
পেছনের রোদে দাঁড়ানো বৃদ্ধ
বাড়ি ফেরার ভাড়াটা গুনে দেখেন।
রাজনীতির হাওয়ায়
আমার জামাও উড়েছে।
অপছন্দের মানুষের দুর্দশায়
একবার আনন্দ পেয়েছিলাম।
খবরটি মিথ্যে জানার পর
চুপ করে থেকেছি—
সত্যিটা আমার পক্ষের ছিল না।
এই স্বীকারোক্তির জন্য
কেউ হাততালি দেবে না।
দিলে আরও অস্বস্তি হবে।
হাসপাতালের লাইনে আজ
দুই দলের দুই মানুষ
একই বেঞ্চে বসে ছিলেন।
একজন উঠে ওষুধ আনতে গেলে
অন্যজন তাঁর জায়গায়
ভাঁজ করা কাগজ রেখে দিলেন।
কিছুক্ষণ পরে ফিরে এসে
তিনি বললেন, ধন্যবাদ।
কথাটির সঙ্গে কোনো স্লোগান ছিল না।
বাইরে তখনও মিছিল যাচ্ছিল।
জানালার কাচ কাঁপছিল শব্দে।
ভেতরে নার্স একটি নাম ডাকলেন—
অসুস্থ মানুষটি শুনতে পাননি।
পাশের মানুষ
তাঁর কাঁধে হাত রাখলেন।
সেই হাতেরও রাজনৈতিক ইতিহাস আছে।
এই মুহূর্তে
সে একজনকে উঠে দাঁড়াতে
সাহায্য করছে।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



