স্বরচিত কবিতা: "শহর"
নমস্কার
কেমন আছেন বন্ধুরা? আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন ঈশ্বরের কৃপায়।আমিও মোটামুটি ভালো আছি।যাইহোক দীর্ঘদিন পর আজ আপনাদের সঙ্গে আমি নতুন একটি কবিতা শেয়ার করার জন্য চলে আসলাম।
@green015
একটি শহর প্রতিদিন বদলায়
চেনা শহরকে নতুনভাবে চেনায়,
যার অতীত ইতিহাস এতটা জ্বলন্ত
তার রহস্যে ততটা পোড়া ছাইয়ের অস্তিত্ব।
যে শহর নীরবতা ছিনিয়ে নেয়
ক্লান্ত মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নেয়-
প্রতিদিন মানুষের তাজা প্রাণ নেয়।
শহরের রাস্তা কিংবা ইটের কোণে
মানুষের গাড় লাল রক্তের ছাপ,
ছোট্ট থেকে বৃদ্ধ কারো অব্যাহতি নেই
নেই কোনো দয়া-ভিক্ষার আকুতি।
এক পা সম্মুখে চলার গভীর অভিলাষে
জীবনে দশ পা বিলম্বিত হওয়ার গল্প লেখে-
তবুও কেন শহরের এত উত্তরণ!
প্রত্যেক পাতায় পাতায় শুধুই
নতুন পরিচয়ের ইতিহাস গড়ে শহর।
কবিতা হলো মনের খোরাক,অনুভূতির ফসল কিংবা অনুভূতি প্রকাশের একমাত্র মাধ্যম।তাই কবিতা লিখতে আমার বরাবরই খুব ভালো লাগে।কবিতা মানুষের মনের উপলব্ধি,কল্পনা,বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, আবার অন্ধকার মনের অনুভূতি দ্বারা ব্যক্ত কিছু বাক্য।একটি ছোট্ট কবিতার মাধ্যমে একটি বৃহৎ বিষয়কে তুলে ধরা যায় সুন্দরভাবে।কবিতা লেখার জন্য কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, সময় বা স্থানের প্রয়োজন হয় না,যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় এটি মনে জন্ম নিতে পারে।তাই আজ আমি একটি কবিতা লেখার চেষ্টা করলাম আমার নতুন অনুভূতি নিয়ে।তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক----
স্বরচিত কবিতা: "শহর"
চেনা শহরকে নতুনভাবে চেনায়,
যার অতীত ইতিহাস এতটা জ্বলন্ত
তার রহস্যে ততটা পোড়া ছাইয়ের অস্তিত্ব।
যে শহর নীরবতা ছিনিয়ে নেয়
ক্লান্ত মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নেয়-
প্রতিদিন মানুষের তাজা প্রাণ নেয়।
শহরের রাস্তা কিংবা ইটের কোণে
মানুষের গাড় লাল রক্তের ছাপ,
ছোট্ট থেকে বৃদ্ধ কারো অব্যাহতি নেই
নেই কোনো দয়া-ভিক্ষার আকুতি।
এক পা সম্মুখে চলার গভীর অভিলাষে
জীবনে দশ পা বিলম্বিত হওয়ার গল্প লেখে-
তবুও কেন শহরের এত উত্তরণ!
প্রত্যেক পাতায় পাতায় শুধুই
নতুন পরিচয়ের ইতিহাস গড়ে শহর।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | স্বরচিত কবিতা |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
আমি রিপা রায়।আমার স্টিমিট ইউজার আইডি @green015.আমি একজন ভারতীয়।আমি বর্ধমান ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি,ইতিহাস বিষয় নিয়ে।বর্তমানে আমি ওখানেই অধ্যয়নরত আছি।এখানে বাংলা ভাষায় মন খুলে লেখালেখি করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।এছাড়া আমি একজন বাঙালি হিসেবে গর্ববোধ করি।


