পুরনো জমিদার বাড়ির বন্ধ ঘর ( পর্ব ২০ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে "পুরনো জমিদার বাড়ির বন্ধ ঘর" গল্পের ২০ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর- খুব আস্তে বলল, তুই এত দেরি করলি, অর্ক...। অর্কের হাত থেকে টর্চটা মেঝেতে পড়ে গেল। সে কোনোভাবে শব্দ বের করতে পারল না। বৃদ্ধ আবার বলল- তোর বাবা আমাকে কথা দিয়েছিল...এক মুহূর্ত থামল। তারপর তার চোখ সরাসরি অর্কের চোখে আটকে গেল। তুই যেন কোনোদিন এই ঘর না খোলিস। অর্ক পিছিয়ে যেতে যেতে দেয়ালে ঠেকে গেল। বৃদ্ধ এবার এক পা সামনে এগিয়ে এল। তার হাতে একটা পুরনো ডায়েরি। ঠিক সেই ডায়েরি- যেটা অর্ক কিছুক্ষণ আগে নিজের ঘরে রেখে এসেছিল। অর্কের বুকের ভেতর থেকে একটা প্রশ্ন বেরিয়ে এল- আপনি... কে?
বৃদ্ধ থেমে গেল, তার মুখে অদ্ভুত এক হাসি ফুটে উঠল। আমার নাম তো তুই ছবিতে দেখেছিস।অর্কের শরীর কেঁপে উঠল। বৃদ্ধ ধীরে বলল- আমি শশাঙ্ক। তারপর ডায়েরিটা অর্কের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল- আর এই ডায়েরির শেষ পাতাটা পড়ার পর তুই বুঝবি...ঘরের বাতাস হঠাৎ বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে গেল। বৃদ্ধের কণ্ঠস্বর আরও নিচু হয়ে গেল- কেন তোর বাবা আমাকে ত্রিশ বছর ধরে এই ঘরে আটকে রেখেছিল। অর্ক ডায়েরিটার দিকে তাকিয়ে রইল। ডায়েরির শেষ পাতাটা নিজে থেকেই খুলে গেল। আর সেখানে মাত্র একটি বাক্য লেখা- শশাঙ্ককে ঘরে বন্দি করা হয়নি—বন্দি করা হয়েছিল অন্য কাউকে। অর্কের চোখ ধীরে ধীরে ডায়েরির নিচের লাইনে নামল।....