পুরনো জমিদার বাড়ির বন্ধ ঘর ( পর্ব ৭ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে "পুরনো জমিদার বাড়ির বন্ধ ঘর" গল্পের সপ্তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। ছবিটা অন্যগুলোর চেয়ে বড়। একজন যুবক জমিদার, তার পাশে এক মহিলা। আর তাদের সামনে দাঁড়িয়ে একটা ছোট ছেলে। ছবির নিচে লেখা- রুদ্রনারায়ণ রায়চৌধুরী ও পরিবার- ১৯৩৮। অর্ক ছবিটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ লক্ষ্য করল- ছোট ছেলেটার মুখটা অদ্ভুতভাবে তার নিজের মতো দেখতে। একই চোখ, একই কপাল। সে ছবির আরও কাছে গেল।ঠিক তখনই- টক... টক... টক...। শব্দটা এবার একেবারে সামনে। অর্ক মাথা তুলল, করিডোরের শেষ প্রান্তে একটা বিশাল কাঠের দরজা। তার ওপর মোটা লোহার তালা, তালার গায়ে মরচে।দরজার নিচে ধুলোর আস্তরণ, দেখলেই বোঝা যায় বহু বছর কেউ খোলেনি।
অর্ক ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল। আর তখনই তার বুকের ভেতরটা হিম হয়ে গেল। কারণ শব্দটা বাইরে থেকে আসছে না, ভেতর থেকে আসছে' টক...একবার। তারপর বিরতি দিয়ে আবার- টক... টক...। অর্কের গলা শুকিয়ে গেল। সে দরজার একেবারে সামনে দাঁড়িয়ে গেল। ভেতর থেকে খুব ক্ষীণ একটা শব্দ এল, যেন কেউ ফিসফিস করছে। অর্ক কান দরজার কাছে নিয়ে গেল। কিছুই শুনতে পেল না।তারপর- একটা কণ্ঠ, খুব নিচু। খুব দূর থেকে আসা, কিন্তু আশ্চর্যভাবে পরিচিত। অর্ক...অর্ক ঝটকা মেরে পিছিয়ে গেল। তার বুকের ভেতর হৃদস্পন্দন যেন থেমে গেল। সে চারপাশে তাকাল, কিন্তু কেউ নেই। আবার দরজার দিকে তাকাল। এবার ভেতর থেকে স্পষ্ট শব্দ এল- অর্ক... দরজাটা খোল।....
