পুরনো জমিদার বাড়ির বন্ধ ঘর ( পর্ব ১৯ )

ChatGPT Image Sep 26, 2026, 01_54_00 AM.png

Image Created by OpenAI

আজকে আপনাদের সাথে "পুরনো জমিদার বাড়ির বন্ধ ঘর" গল্পের ১৯ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর- তার বাবা যে পুরনো আতর ব্যবহার করতেন, ঠিক সেই গন্ধ। অর্ক চারদিকে তাকাল- বাবা? কোনো উত্তর নেই। সে টেবিলের কাছে গেল, টেবিলের ওপর একটা কালি-দানি।তার পাশে শুকিয়ে যাওয়া কলম আর একটা কাগজ। অর্ক কাগজটা তুলে নিল, লেখাটা পুরনো।কাঁপা হাতে লেখা- যে দরজা খুলেছে, তাকে আর বন্ধ করার চেষ্টা করো না। অর্কের কপালে ঘাম জমল। নিচে আরও লেখা ছিল- কারণ দরজাটা ঘরকে বন্ধ করে রাখেনি। অর্কের চোখ আটকে গেল পরের লাইনে। ঘরটা দরজাকে বন্ধ করে রেখেছিল। তারপর লেখা আর নেই। অর্ক ধীরে ধীরে ঘরের ভেতর আরও এগিয়ে গেল। তার পায়ের নিচে কাঠের মেঝে কেঁপে উঠল- কড়...
কড়...।

হঠাৎ তার পেছনে দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল-ধাম! অর্ক চমকে ঘুরে দাঁড়াল- দরজা বন্ধ। সে দ্রুত ছুটে গিয়ে হাতল ঘোরাল। হাতল নড়ছে না- খুল! সে জোরে ধাক্কা দিল, কোনো লাভ হলো না।তারপর ঘরের ভেতর থেকে একটা শব্দ ভেসে এল খুব ধীরে- খস...খস...খস...। যেন কেউ মেঝের ওপর দিয়ে পা টেনে হাঁটছে। অর্ক স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। শব্দটা ঘরের শেষ প্রান্ত থেকে আসছে, চেয়ারটার দিক থেকে। অন্ধকারে চেয়ারটা ধীরে ধীরে নড়ল। তারপর- চেয়ারের পেছন থেকে একটা ছায়া উঠে দাঁড়াল। অর্কের মুখ শুকিয়ে গেল, ছায়াটা ধীরে ধীরে তার দিকে ফিরল। অর্ক টর্চটা তুলে ধরল, আলো পড়ল মুখের ওপর।একজন বৃদ্ধ, ফ্যাকাশে মুখ, চোখ দুটো গভীর, চুল সাদা। কিন্তু মুখের গঠন- অর্কের বাবার সঙ্গে আশ্চর্য রকম মিল। বৃদ্ধ ঠোঁট নাড়ল।...