সবকিছুতে জেতার প্রয়োজন নেই!
Copyright-free image from pixabay
আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে বড় হয়েছি সবকিছুতে প্রথম হতে হবে। সেটা হোক পরীক্ষার রেজাল্টের ক্ষেত্রে, সেটা হোক কোনো খেলায় জেতার অথবা সেটা হোক তর্কের ক্ষেত্রে। আমাদের বেশিরভাগরই ইনটেনশন থাকে জীবনে প্রথম হওয়া। আমাদের ছোটবেলা থেকেই মাইন্ডসেটটা এমনভাবো গড়ে তোলা হয় যেন জীবনের সবকিছুতে আমরা প্রথম হয়। কখনো যেন মুখ কালো করে ফিরতে না হয়। আর এই মানসিকতায় আমাদেরকে একটা সময় এসে অনেক নিচে নামিয়ে দেয়। জীবনের একটা পর্যায়ে এসে বুঝি প্রথম হয়ে যাওয়া কিংবা পরীক্ষায় ফেল করলে জীবন শেষ নয়। ফেল দিয়েই নতুন সম্ভাবনার শুরুটা হয়।
জীবনের একটা পর্যায়ে এসে আপনি বুঝবেন, সবকিছুতে আসলে জেতার প্রয়োজন নেই। কেউ যদি আপনাকে ভুল বুঝে তাহলে সবসময় নিজেকে প্রমাণ করতে হবে না। কেউ আপনার নামে সমালোচনা করছে তাহলে তার প্রতিটি কথার উত্তর দিতে হবে না। কেউ আপনার মূল্য বুঝতে পারছে না তাহলে তার কাছে নিজের মূল্য বোঝানোর জন্য বারবার চেষ্টা করতে হবে না। কারণ জীবনের এমন কিছু লড়াই আছে যেখানে জিতলেও আপনি কিছু পাবেন না। শুধু সময়, শক্তি আর মানসিক শান্তি হারাবো। আর এই সময়টাকেই বলে মানুষ ম্যাচিউরিটি টাইম! যখন তর্কে জেতার থেকে আপনি তর্কে হারতে রাজি থাকবেন। তবুও কম কথা বলবেন!
মানুষের জীবনের সাইকেলটা যদি এনালাইসিস করেন তাহলে দেখতে পাবেন মানুষের জীবনের একেকটা স্টেজে একেক রকমের মানসিকতা থাকে। এই ধরেন আপনার বয়স যখন ৭-১২ বছর ছিল তখন আপনি শুধু ছোটাছুটি করতেন, খেলাধুলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার মানসিক চিন্তাশক্তি বাড়ে। আপনি একটা সময় ঝগড়া করে জিততে পছন্দ করতেন। কোনো একটা সময় পরে সেটা আর হয় না। বরং মনে হয় না জেতায় ভালো। শুধু শুধু নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করারই বা কি দরকার।
ছোটবেলায় আমাদের একটা ধারণা ছিল যে শক্তিশালী মানুষ সেই যে সবকিছুর জবাব দিতে পারে। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারবেন, প্রকৃত শক্তি অনেক সময় নিজের প্রতিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করার মধ্যে থাকে। কখনো কখনো চুপ থাকাটা দূর্বলতা নয় বরং নিজের শান্তিকে অপ্রয়োজনীয় ঝামেলার চেয়ে বেশি মূল্য দেওয়া। তবে মনে রাখবেন শান্তি বজায় রাখার অর্থ এই নয় যে আপনি অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন। যেখানে নিজের অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন সেখানে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে। আর যেখানে শুধু অহংকারের লড়াই চলে সেখান থেকে সরে আসাই প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ ।
আমাদের জীবন সীমিত। তাই আমাদের উচিত নয় জীবনের মহামূল্যবান সময়টুকু অন্যকে ভুল প্রমাণ করতে ব্যয় করা! আপনার জীবন আপনার, আপনার সময় আপনার! তাই নিজেকে সময়দিন! একটা শান্ত, সুন্দর জীবনটা যেভাবে পাওয়া যায় সেটা নিয়েই থাকুন। দিনশেষে, সবাইকে হারিয়ে জেতার চেয়ে নিজের ভেতরে শান্তি নিয়ে বেচেঁ থাকা অনেক বেশি মূল্যবান।
Lo que aprendí es que cuesta soltar esa mentalidad de tener que ganar cada discusión. El ejemplo que das entre los 7 y 12 años, cuando solo querías jugar, y después darte cuenta que no vale la pena pelear por todo, me hizo pensar en cómo lo vivo con mi familia. ¿En qué momento exacto notaste ese cambio en vos?
No sabía que el post estaba en bengalí, pero la imagen de las campanas me llevó directo a esa idea de que no todo se gana peleando. Lo de que a veces callar vale más que tener razón me hizo pensar en mi rutina: cuánta energía gastamos queriendo demostrar cosas.