নিজের হাতে তৈরি নুডলস।
না না, কেউ আবার হাসবেন না, আমার আজকের লেখা পড়ে। আমি সাধারণত রেসিপি পোস্ট শেয়ার করি না কারন রান্নায় আমি তেমন অভিজ্ঞ নই। তবে নিজের কাজ চালানোর মতো একটু আধটু রান্না পারি।
আপনাদের মতো গুছিয়ে হয়ত রেসিপি তৈরি করতে পারি না তবুও নিজের হাতে তৈরি নুডলস তৈরি করেছিলাম সেটা শেয়ার করছি।
বিগত দিন রাত করে বাসায় ফিরেছি। খুলনা শহর ঘুরে ঘুরে দূর্গা পূজা দেখেছি, মায়ের প্রতিমা দেখার মতো শান্তি বোধহয় আর কিছুতে নেই। সময় কখন পার হয়ে যায় বুঝতে পারিনা, হাঁটতে হাঁটতে পায়ের ব্যথাও অনুভব করার অনুভূতি পাই না, হয়ত মা নিজেই অনুভব করতে দেয় না৷ তবে বাসায় ফিরে আস্তে আস্তে যেন শরীরে ক্লান্তি নেমে আসে।
রাতে বাসায় ফেরার পর খাবার খাওয়ার থেকে ঘুম কে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলাম। বাইরে হালকা খাবার খেয়েছিলাম বলে ক্ষুধাও বেশি পায়নি তাই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
এক ঘুমেই রাত পার হয়ে গেলো।
সকালে ঘুম ভাঙতেও বেশ দেরি হয়েছিলো। এদিকে বাড়ি থেকে মায়ের ফোন আসছে বার বার, পূজা শুরু হয়েছে এদিকে আমি বাড়ি যায়নি! মায়ের ফোন পেলে বাড়ি আসতে তো হবেই। ঘুম থেকে উঠে ভীষণ খিদে পেয়েছিলো, এদিকে রান্না করতে ইচ্ছে করছিলো না।
নুডলস আমার ভীষণ প্রিয়, তাছাড়া অল্প সময়ে তৈরি করা যায়।
প্রথমে গরম জলে নুডলসগুলো দিয়ে সিদ্ধ করে নিলাম। দুঃখিত প্যাকেটের ছবি তুলে রাখতে মনে ছিলো না।
জানি না, অন্যেরা কিছু নুডলস তৈরি করেন। রেসিপির পদ্ধতির ভিন্নতার কারনে স্বাদের পার্থক্য থাকে।
আমি যেভাবে তৈরি করি সেটা খুব সাধারণ ও সহজ পদ্ধতি, স্বাদও খুব একটা মন্দ হয় না। নুডলস সেদ্ধ হতে হতে আমি পেয়াজ কেটে ফেললাম, সাথে টমেটো দিতে পারলে আরও স্বাদের হতো হবে হাতের কাছে যা আছে তা দিয়ে ঝটপট তৈরি করে পেট ঠান্ডা করতে হবে।
একটা ডিম দিলেও হতো তবে আমি ডিম পছন্দ করি তাই ২ টা দিয়েছিলাম। প্রথমে ডিম ভাজি করে তারপর নুডলসগুলো দিয়ে দিলাম।
অল্প কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করার পর নুডলসের মসলা দিলাম। ১০ টাকা দামের ২ প্যাকেট নুডলসের জন্য ২ প্যাকেট মসলা। সেই সাথে পরিমাণ মতো ঝাল ও লবন দিলাম।
মসলা দেওয়ার পর সুন্দর একটা স্মেইল আসে যেটা আমার বেশ ভালো লাগে। আগে থেকে সেদ্ধ করা তাই ৪/৫ মিনিট লো ফ্লেমে নাড়াচাড়া করলে নুডলস তৈরি হয়ে যাবে।
বাড়িতে থাকলে মা কে বললে মা তৈরি করে দেয় কিন্তু এখানে নিজেই করতে হচ্ছে। নুডলস তৈরি হলে পাত্রে নামিয়ে রেখে স্নান করতে যাই।
স্নান সেরে নিজের হাতে তৈরি নুডলস খাওয়ার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছিলাম।
মিথ্যা বলবো না,
খেতে মোটামুটি ভালোই লাগছিলো গরম গরম নুডলস খেয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।
আচ্ছা আচ্ছা, আমি যখন লেখাটা শেষ করছি তখন এবছরের মতো মা আমাদের রেখে বিদায় নিয়েছে। সবাইকে বিজয় দশমীর অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আবারও একটা বছরের অপেক্ষার পর মায়ের দেখা পাবো।
আশা করি এবছর পূজায় আপনারা অনেক সুন্দর সময় পার করেছেন।
Thank you very much for your support.
Your post made me smile.
There is absolutely no need to feel shy about sharing your recipe. Sometimes, the simplest homemade dishes are the most enjoyable, especially when we prepare them ourselves. Your egg noodles sound quick, easy, and delicious. I also loved reading about your Durga Puja experience and the happiness of seeing Maa Durga. Festivals become even more special because of the beautiful memories and emotions attached to them. Thank you for sharing a little part of your daily life with us. I hope you had a wonderful Puja, and may the coming days bring you lots of happiness and beautiful moments.
#s34engagement