নবমীর রাতে!

দেখতে দেখতে সময় কেটে যায়! সময়ের একটা অদ্ভুত স্বভাব রয়েছে! খারাপ হলে, যেনো কাটতেই চায় না! আর ভালো হলে কিভাবে যে অতিবাহিত গিয়ে যায় বোঝাই যায়!
একটা আস্ত বছরের প্রতীক্ষার পর মা দুর্গা আসেন তার বাবার বাড়িতে, আর এই সময়টির জন্য অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করে সমগ্র কলকাতাবাসী সহ ভারতবাসী।
একেক প্রান্তে নামকরণ ভিন্ন হলেও, সময়টা কিন্তু একই হয়, এই উৎসব পালনের।
যদিও এবার সপ্তমী পালিত হয়েছিল দু'দিন, কিন্তু তাতে কি?
মা আমাদের সঙ্গে যতবেশি থাকে, সন্তানদের ততই বেশি আনন্দ।
তবে, যা আসবে, তাকে তো যেতেও হবে, তাই না?
তাই, আজ এই নবমীর রাতে লেখাটি লিখতে এবং লেখাটি যখন প্রকাশ করবো, ততক্ষণে ভারতীয় সময়ে একটা দিন অতিবাহিত হয়ে নবমী শেষ হয়ে দশমী এসে যাবে।

গতকাল শরীর এতটাই ক্লান্ত ছিল যে, উপরিউক্ত লেখা পর্যন্ত লিখে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বুঝতেই পারিনি!
যখন সম্বিৎ ফিরল তখন ঘড়িতে দেখলাম তার দুটো বাজে! ঘরের আলো জ্বলছে, সাথে টেলিভিশন ও সমানে চলে যাচ্ছে!
এক্ নাগারে শারীরিক পরিশ্রমের এটাই হয়তো পরিণতি! তাই এই মুহূর্তে বসে লেখা শেষ করছি।
অন্যান্য দিনের মতোই গতকাল শোরুমে গিয়েছিলাম, কিন্তু ফেরার পথে মনে পড়েছিল কিছু জিনিষ বাজার থেকে না কিনলেই নয়!

তাই ট্রেনের সামনের দিনের লেডিস কামরায় উঠেছিলাম।
এরপর প্রায় ফাঁকা কামরায় বসে নির্দিষ্ট সময় এসে পৌঁছেছিলাম নিজের গন্তব্যে।
মাঝে ট্রেনে এতটাই শরীর খারাপ লাগছিল যে, দুটো ষ্টেশন ঘুমিয়েই পর হয়ে গিয়েছিল।
ট্রেন থেকে নেমে, বাজারের মধ্যে দিয়ে গিয়ে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিষ কিনে ফেরার পথে মনে পড়লো, খানিক দূরে অনুষ্ঠিত একটি পুজোর কথা।

ভাবলাম, ঐ রাস্তা ধরেই বাড়িতে ফিরবো, এতে করে মায়ের দর্শন হতে যাবে।
প্রতিবার এই ঠাকুরটি আমি দেখি, তাই এ বছর অন্যথা হবে কেনো?
তাই বাড়ি ফেরার রাস্তায় চলতে চলতে প্রথমে প্যান্ডেলের বাইরের আলোকসজ্জার ছবি তুলেছিলাম, এরপর মায়ের ছবি তুলে নিয়েছিলাম।
হাতে কিছু জিনিষ, সাথে রাস্তায় ভিড়, সব মিলিয়ে মায়ের দর্শন পাওয়া আর ছবি যে তুলতে পেরেছি এই ঢের!

যে পুজোর উল্লেখ করছি, এটি একটি ক্লাব দ্বারা সংগঠিত হয় প্রতিবছর।
এখানে প্রতিদিন বিকেলে ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে ক্যারাটে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যার ছবি আমার পূর্ববর্তী লেখায় তুলে ধরেছি।
আজকে দুপুরে কলকাতার বেশকিছু নামকরা ঠাকুর দর্শন করতে যাওয়ার কথা।
দেখা যাক শেষ মেষ কি হয়! যদি যাওয়া হয়, তাহলে পরের লেখায় তুলে ধরবো ঐতিহ্যবাহী কলকাতার শ্রেষ্ট উৎসব দুর্গাপুজোর বেশ কিছু নিদর্শন।
তাই, আমার এই পেজে চোখ রাখতে ভুলবেন না কিন্তু!


Time really flies when we are enjoying beautiful moments.Your love and devotion towards Maa Durga are clearly reflected in your words. Despite feeling tired after a long day, you still managed to visit the pandal and capture some beautiful memories. Festivals become even more special because of these little moments of happiness and devotion.
I hope you get to visit many more beautiful Durga Puja pandals in Kolkata and share those wonderful experiences with us.
শুভ দুর্গাপূজা!
#s34engagement
Ese detalle de que te dormiste con la luz y la tele encendidas hasta las dos de la mañana después de la jornada en el showroom me suena a volumen real de agotamiento, no a queja. Lo del puesto del club que visitás cada año tiene continuidad, eso se nota. ¿La foto de la luz del pandal la sacaste antes o después de comprar las cosas?
Ese detalle de que te dormiste con la tele encendida y despertaste a las dos de la mañana le da un costado muy real a la crónica. Qué significa esto para el bolsillo, me pregunto, con los clubes gastando en pandales y alumbrado cada año.