একসাথে একাধিক!

একদিকে কাজের জায়গায় পৌঁছনো, কাজের দায়িত্ব পালন, অন্যদিকে ভাইয়ের স্বাস্থ্যের দিকে নজরদারি!
সব মিলিয়ে ব্যস্ততায় কাটছে এখন আমার দিনগুলো।
আগামীকাল আমার ভাইকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দিয়ে দেবে, তাই আপনাদের সাথে কাজের জায়গার কিছু বিষয় ভাগ করে নিতে হাজির গিয়ে গেলাম।
সত্যি বলতে, আর অসুস্থতার কথা শুনতে, বলতে কিংবা দেখতে ভালো লাগছে না!
আর তাই, মনে হলো, গত কালের শুটিং এর কিছু বিষয় আপনাদের মাঝে তুলে ধরি।
আপনাদের মধ্যে অনেকেই সোস্যাল মিডিয়ার রিলে দেখেছেন হয়তো কিভাবে ভিডিওতে কোনো দোকান, কিংবা কোনো জায়গা নিয়ে রিল তৈরি করে ব্লগার!
![]() | ![]() |
|---|
ঠিক সেইরকম ভাবে গতকাল শুটিং আর আয়োজন করা হয়েছিল, তার কিছু ছবি তোলা সহ ভিডিও করেছিলাম, সেগুলোই আজকের লেখায় রইলো।
অনেক বিষয় নিয়ে একাধিক নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করছি, এটা উপভোগ্য তবে সবটা আর তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে পারতাম হয়তো, যদি না ভাইয়ের শরীরের অবস্থা এমনটা হতো।
গতকাল বেশ তাড়াতাড়ি পৌঁছে গিয়েছিলাম শো রুমে, সেখানে গিয়ে দেখেছিলাম যে মডেল নেওয়া হয়েছিল তাকে মেকআপ করিয়ে দিচ্ছে পার্লার এর একটি মেয়ে।
এরপর, কিছু ছবি তুলেছিলাম, তবে লেখায় এগোনোর আগে জানিয়ে রাখি গতকাল সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি জল নেই, পরে জানতে পারলাম জলের পাম্প খারাপ!

![]() | ![]() |
|---|
এরপর, সেই পাম্প ঠিক হতে হতে সকাল সাড়ে নয়টা বেজে গিয়েছিল, তাই বিশেষ কোনো কাজ করবার সুযোগ হয়নি, শুধু স্নান করে তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম।
তারপর, পৌঁছে কিছু ছবি তুলে, ভিডিও করে, ফোন করেছিলাম মামাতো বোনকে, জানলাম ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল!
![]() | ![]() |
|---|

ভেন্টিলেশনে আর রাখা হচ্ছে না, অবস্থা খানিক ভালো জেনে স্বস্তি পেয়েছিলাম, তাই কাজে মনোনিবেশ করতে পেরেছিলাম।
শুটিং শেষ হয়েছে, একটা ছোট টেস্ট ভিডিও পাঠিয়েছে, তবে পুরোটা তৈরি বাকি, আমি যে ভিডিও করেছি সেগুলো আপনাদের সাথে ভাগ করেছি ওই টেস্ট ভিডিওর সাথে।
![]() | ![]() |
|---|
ব্যবসায়ীদের সাথে ওঠা বসা করলেও, কখনও ব্যবসায় নিজের নাম জড়িত হয়নি, তাই এটি আমার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতা, জানিনা ভবিষ্যত কি নিয়ে আসবে, তবে নিজের সর্বোচ্চ দেবার প্রয়াস করবো অবশ্যই।
কেউ যখন আমাদের বিশ্বাস করে, তখন সেই বিশ্বাসের মর্যাদা দেওয়া উচিত, বাকিটা সৃষ্টিকর্তা জানেন!
![]() | ![]() |
|---|
বিকেল পাঁচটায় বাকি নিমন্ত্রণ করতে বেড়িয়েছিলাম, আমি, আর স্টার নামের মেয়েটি!
গতকাল সে শাড়ি পরে এসেছিল, তাই আমায় তার বেশকিছু ছবি তুলে দিতে বলেছিল, খুব খুশি সেগুলো পেয়ে!
অনেকেই আছে, যারা আন্তরিকতা, এবং ছোট ছোট বিষয় পেলেই খুশি হয়ে যায়।
নিমন্ত্রণ করবার সময়, আমি স্টার নামের মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম কি খাবে?
কারণ, তার আগের দিন ওকে আইসক্রিম খাওয়ানোর কথা ছিল,
আমি সেদেই বলেছিলাম, কিন্তু বাস এসে পড়ায় মাথা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল!

তাই গতকাল স্টারকে খাওয়ার কথা বললাম, উত্তরে জানালো, সে আইসক্রিম খাবে না, তাহলে লিপস্টিক উঠে যাবে, আর তাই ফিশ ফ্রাই খাবে বললো, আমি সেটাই কিনে দিয়েছিলাম।
কি যে খুশি হয়েছিল, সেটা লেখায় প্রকাশ সম্ভব নয়! আমার সবসময় খাওয়াতে ভালই লাগে, গতকাল ভাইয়ের সুস্থতার খবরে মনটাও ভালো ছিল, তাই এই প্রাপ্ত খুশির সবটাই আমি উৎস্বর্গ করতে চাই আমার মামাতো ভাইয়ের সুস্থতার জন্য!
অন্যের খুশির দিকে এখন আর বিশেষ কারোর নজর কিংবা আগ্রহ নেই, তবে ব্যতিক্রমী মানুষ আজও রয়েছে এই ধরায়, কি তাই না বলুন?












