এলোমেলো!

অজানা? নাকি জানা?
কত কথাই সর্বসমক্ষে
বলতে আমাদের মানা!
মন খারাপের কারণগুলো
সংগোপনে করছে,
সবকিছু এলোমেলো!
আলোর রোশনাইয়ে
ভরেছে চারিদিক;
উৎসবের আমেজে মূখরিত
দৃষ্টি যেদিকে যায় সেদিক!
আমার আঁধার ঘুচবে কবে?
ডাকলে পাশে, মনের মানুষ রবে!

আজকের লেখার সূত্রপাত করলাম কিছু এলোমেলো শব্দগুচ্ছ দিয়ে!
আজকে ট্রেন থেকে নেমে, মাইকে গান বাজতে শুনে মনটা অকারনেই ভার গিয়ে গেলো!
নাকি কারণে? হয়তো কারণেই! সত্যি যখন পরিবর্তন করার কোনো উপায় থাকে না, তখন ব্যস্ততার আড়ালে তাকে ঢাকার প্রয়াস চালিয়ে যেতে যেতে একটা সময় নিজের কাছে ধরা পড়ে যেতেই হয়।
আলোর রোশনাইতে ঝলমলিয়ে উঠেছে আমার পাড়া সহ চারিদিক, মায়ের আগমনীর আনন্দে মাতোয়ারা গোটা শহর!
কেনাকাটা, সাথে নিজেকে সাজিয়ে তোলায় ব্যস্ত সকলেই, সেখানে হয়তো আমার মতই মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ নিজেদের কর্মব্যস্ততায় নিজেদের ব্যস্ত করে রেখেছেন।

সিঁড়ি দিয়ে উপরে ওঠার সময় থমকে গিয়েছিলাম একটা পর্যায়ে ওঠার পরে, মনে হলো সেই পরিচিতি মানুষগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রিয় সম্পর্ক যদি সেই চেনা ডাক ডেকে দরজা খুলে দাড়াতো!
নাহ্! সেটা আর সম্ভব নয়, তাই বাস্তবের হাত ধরে উপরে উঠে এসে বন্ধ দরজার তালা নিজেকেই খুলে ঘরে প্রবেশ করতে হয়েছিল।
আমরা সকলেই বাস্তব সম্পর্কে ওয়াকিবহল কিন্তু তবুও মাঝে মধ্যে মন ছুটে যায় সেই অতীতের দিকে যেখানে জমা থাকে একরাশ হারিয়ে যাওয়া মানুষের সাথে সঞ্চিত একাধিক আনন্দঘন মুহুর্ত!
ইচ্ছে করে ফিরে পেতে অনেক কিছু, কিন্তু বাস্তব যেহেতু চলে পিছু তাই ফিরে পাওয়া অসম্পূর্ণ রয়ে যায়।

![]() | ![]() |
|---|

নইলে, ভেবে দেখুন সেই কোন সকালে ঘুম থেকে উঠে, সারাদিন কাজের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত করে, বাড়িতে ফিরে কিছু মানুষের সাথে ফোনে ভাব বিনিময় করে,
এই মধ্য রাতে যখন ভারতীয় সময় বলছে রাত বারোটা বেজে ছেচল্লিশ মিনিট!
তখন অন্য অনেকেই ক্লান্তির চাদরে নিজেদের আবৃত করে স্বপ্নের জগতে পাড়ি দিয়ে ফেলেছেন!
অন্যদিকে, আমি এই রাতে বসে বসে কিছু শব্দ সমষ্টিকে একত্রিত করে, লেখার মাধ্যমে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি!

এরকম বহু রাত আমার জীবনে ছিল এবং আজও রয়েছে যখন অতীতের কিছু মুহূর্ত একাধিক ক্লান্তিকে ছাপিয়ে যায়!
হয়তো, আমার মত অনেকেই রয়েছে, আবার এটাও সম্ভব অনেকের বেঁচে থাকার এবং নিজের নিজের মানসিক শূন্যতাকে সঙ্গে করে চলার ধরন ভিন্ন!

চলতে হবে বলে চলা?
আচ্ছা! নাকি বলতে হবে বলেই
শুধু কথা বলা?
আন্তরিকতার পরিভাষা বদলে গেছে,
তুলা যন্ত্রটি কেবল পড়ে রয়েছে!
মাপার আছে অনেক কিছু,
হিসেব চলছে পিছু পিছু!
যদি পেতেম আলাদিনের চিরাগ;
হয়তো ঘুচতো কিছুটা বিরাগ!
জানিনা গুছিয়ে হলো কি বলা?
একাকীত্বের হাত ধরে ভিড়ে চলা!




Curated by: @mvchacin
El verso "ডাকলে পাশে, মনের মানুষ রবে" pega fuerte, pero lo que más me quedó fue eso de bajar del tren y que la música del micrófono te cambie el ánimo sin aviso — el mercado hace lo mismo, te da un soporte y después te lo quiebra sin explicación. Escribís desde la emoción pero sin caer en el cliché, y eso es raro de leer por acá. Los ojos en la última foto, ¿son de la calle o de algún festival?
Ese momento en la escalera, cuando esperás escuchar la voz de alguien que ya no está, pega fuerte. Lo del reloj marcando las 12:46 de la noche también me llegó, porque escribir a esa hora es cuando la cabeza no te da tregua. ¿Escribís siempre de madrugada o fue algo de ese día nomás?