"দিদির ফ্ল্যাটের ছোট্ট ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে উপভোগ করা বৃষ্টি ভেজা মুহূর্ত"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে, আমি আপনাদের সাথে আমার দিদির ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে উপভোগ করা বৃষ্টি ভেজা কিছু মুহূর্তের কথা শেয়ার করবো।
আপনারা সকলেই জানেন কয়েকদিন আগে দিদির হাজব্যান্ডকে ডাক্তার দেখানোর জন্য আমাকে দিদির ফ্ল্যাটে যেতে হয়েছিলো। আবার সেদিনই ওনার জন্মদিন ছিলো। জন্মদিন সেলিব্রেট করার কোনো আয়োজন ছিলো না ঠিকই, কিন্তু তিতলি ও তাতানের কারণে বড় করে না হলেও, ছোট্ট করে আমরা ওনার জন্মদিন সেলিব্রেট করেছিলাম।
সেদিন বাড়িতে ফিরতেই সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিলো বলে আমার আর বাড়ি ফেরা হয়নি। পরদিন বিকেলে বাড়ি ফিরবো এমনটাই ঠিক হয়েছিলো। তবে দুপুরের দিকে এমন মুষলধারায় বৃষ্টি নেমেছিলো যে, ভেবেছিলাম হয়তো আর বাড়ি ফেরা হবেনা।তবে তার আগেই বৃষ্টি থেমে গিয়েছিলো, ফলতো সেদিনই বাড়ি ফিরে আসতে পেরেছিলাম।
![]()
|
|---|
যাইহোক দুপুর বেলার খাওয়া-দাওয়া শেষ করার পর আমি, বাবা আর জামাইবাবু তিনজন বসে আমাদের গ্রামের বাড়ি নিয়ে বেশ কিছু কথাবার্তা বলছিলাম। আকাশ সকাল থেকে মোটামুটি মেঘলা থাকলেও, বৃষ্টি হয়নি। তবে হঠাৎ করে তিতলি আমাকে ডাক দিলো। কারণ বাইরে তখন হঠাৎ করেই বৃষ্টি নেমেছিলো। আর ব্যালকনিতে অনেক জামাকাপড় মেলা ছিলো।
তাই সেগুলো তাড়াহুড়ো করে তুলে নিলেও, বেশ কিছু জামা কাপড় একেবারেই ভিজে গিয়েছিলো। আসলে সব জামা একবারে তোলা সম্ভব হয়নি। টুপটাপ বৃষ্টি হলে হয়তো একটু সময় পাওয়া যেতো, তখন সব জামা তুলে নেওয়া যেতো। যাইহোক জামাকাপড় গুলো তুলে নেওয়ার পর আমি বেশ কিছুক্ষণ ব্যালকনিতেই দাঁড়িয়ে ছিলাম। কারণ অমন মুষলধারায় বৃষ্টি ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে উপভোগ করতেও বেশ ভালোই লাগছিলো।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
দিদিদের ব্যালকনিতে আগে অনেক গাছ রাখা ছিলো, তবে বেশিরভাগ গাছই এখন ছাদে তুলে দেওয়া হয়েছে। শুধু পুজোর পর তুলসী গাছে জল দেওয়ার জন্য একটা টবে তুলসী গাছ আছে। আর অন্যদিকে মানিপ্লান্ট রাখা আছে এবং সেই মানিপ্লান্ট গুলিকে জামাইবাবু সুন্দরভাবে রেলিং এর ওপর দিয়ে বইয়ে দিয়েছিলো।
আশাকরি ছবি দেখলে আপনারা সকলেই বুঝতে পারবেন। হঠাৎ করে মুষলধারায় বৃষ্টি আসায় বৃষ্টির ছিটা যখন মানিপ্লান্টে পরছিলো, তা দেখতে অসম্ভব সুন্দর লাগছিলো। আমাকে দেখে তিতলি ও ব্যালকনিতে যাওয়ার বায়না করছিলো। তবে আমি ওকে বারণ করলাম। কারণ বৃষ্টিতে ভিজলে ওর ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা থাকতো।
![]()
|
|---|
আমি বেশ কিছুক্ষণ দরজার কাছে দাঁড়িয়েই বাইরের দিকে তাকিয়ে মুষলধারায় বৃষ্টি পরা উপভোগ করলাম। এতো সুন্দর লাগছিলো সেই মুহূর্তগুলো, যা হয়ত ছবি দেখে আপনারাও উপভোগ করতে পারছেন।
শহর আমার কখনোই পছন্দের নয়, কিন্তু কখনো কখনো কিছু মুহূর্ত যেন শহরের ওই ছোট্ট বেলকনিতে দাঁড়িয়েও উপভোগ্য হয়ে ওঠে। দিদি বাড়িতে গিয়ে আমার থাকতে একেবারেই ভালো লাগেনা। সারারাত রাস্তা দিয়ে লোকজন, গাড়ি, যাতায়াত করে। কোনো নির্জনতাই নেই ওখানে।
![]()
|
|---|
তবে ওই মুষলধারায় বৃষ্টি পরার সময়, সম্পূর্ণ রাস্তাও যেন একদম নির্জন ছিলো। কারণ ওই বৃষ্টির মধ্যে কোনো গাড়ি বা লোকজনের তেমন যাতায়াত ছিলো না রাস্তায়। যাইহোক সেই কিছু মুহূর্তের ছবি আমি তুলেছিলাম। মাঝে তবে অন্যান্য পোস্টের মাঝে এগুলো আর শেয়ার করা হয়ে ওঠেনি। তাই ভাবলাম আজকে সেই মুহূর্তগুলো উপস্থাপন করি।
আপনাদের কেমন লাগলো ছবিগুলো মন্তব্যের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না।
সকলে ভালো থাকবেন। শুভরাত্রি।





