"এবারের পুজোটা একেবারেই অন্য রকম ভাবে কাটবে আশাকরি"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
দেখতে দেখতে পুজোর দিন প্রায় এগিয়েই এলো। ইতিমধ্যে অনেকেরই পূজোর শপিং কমপ্লিট হয়ে গেছে। আবার অনেকেই হয়তো এখনো শপিং করে চলেছেন। পাশাপাশি সমানতালে চলছে পুজোর প্ল্যানিংও।
কোন কোন প্যান্ডেল দেখতে যাবেন, কোন রেস্টুরেন্টের খাবার খাবেন, কোন দিন কি পোশাক পড়বেন, এই সমস্ত বিষয়েই এখন আলোচনা চলছে বাঙালির ঘরে ঘরে।
তবে পুজো নিয়ে আমার কখনোই তেমন কোনো প্ল্যানিং থাকে না। পুজোর দিনগুলোতে আমি বরাবর নিজের ছোটবেলার পুজোর দিনগুলোকেই মিস করি। ছোটোবেলায় বাড়ির পাশে স্কুলের মাঠে পুজোর প্যান্ডেলের বাঁশ পরা থেকে শুরু করে, বিসর্জনের পরে প্যান্ডেল খোলা এইসব কটা দিন যেন অন্যরকম আনন্দে ভরপুর থাকতো।
তবে সেই সময় আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ পেতাম, কারণ জীবনের আসল মানে তখনও উপলব্ধি করতে পারিনি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুজো নিয়ে প্ল্যানিংও যেন দিনে দিনে কমতে শুরু করেছে। আজকাল তো বাড়ি থেকে বেরিয়ে কোনো প্যান্ডেলে গিয়ে ঠাকুর দেখতেও খুব একটা আগ্রহবোধ করি না।
কখনো বান্ধবীদের সাথে প্ল্যান হলে একদিন বেরোনো হয়, কিংবা কখনো শ্বশুর মশাই সাথে নিয়ে আশেপাশের দু তিনটে প্যান্ডেল ঘুরিয়ে দেখাতেন। শুভর সাথে পূজার মধ্যে একদিন অনেক রাতে, ওর বন্ধুদের সাথে বেড়ানো হতো। এইগুলোই ছিলো এতোদিন পুজোর মানে।
তবে এইবার বোধহয় অন্যরকম একটা অভিজ্ঞতা হতে চলেছে। যদিও প্ল্যানিংটা অবশ্যই আমার নয়। আমার ননদের হাজব্যান্ড প্ল্যান করেছেন, ননদের পরিবারের সাথে আমাকে এবং ছোটো মাসি শাশুড়িকে নিয়ে সুন্দরবন ঘুরতে যাবেন। অনেক আপত্তি জানালাম, তবে তিনি সবকিছু ভোগ করে, তারপর আজ ফোন করে জানালেন, সপ্তমীর দিন সকালের ট্রেন ধরতে হবে আমাদের।
![]()
|
|---|
বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে খুব পছন্দ হয়েছে এমনটা নয়, কিন্তু আপত্তি করতে পারলাম না। কারণ আলাদা ভাবে পুজো নিয়ে আমার কোনো প্ল্যানিং নেই। তাই পুজোতে বাড়িতে থাকি কিংবা সুন্দরবন, সবটাই আমার জন্য সমান। বরং একটা নতুন জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগ হবে, এটা ভেবেই নিজেকে মোটিভেট করলাম।
আমার আসলে বর্ষাকালে ইলিশ উৎসবে সুন্দরবন যাওয়ার খুবই ইচ্ছে ছিলো। সেকথা গল্প প্রসঙ্গে অনেকবারই ননদের সাথেও আলোচনা হয়েছে। আমরা প্ল্যানও করেছিলাম এবার বর্ষাকালে ইলিশ উৎসবে যাবো। তবে সেই সময় কোনো কারণে ননদের হাজবেন্ডের ছুটি হয়নি বলে, আর যাওয়া হয়ে ওঠেনি।
তবে তিনি যে হঠাৎ করে এইরকম ভাবে টিকিট কেটে আমাদের সকলকে সারপ্রাইজ দেবেন, এটা আমার ননদও জানতেন না। যাইহোক সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমী এই তিন দিন আমরা বাড়িতে থাকছি না। সপ্তমীর দিন খুব ভোরে বেরিয়ে যাবো এবং নববীর দিন প্রায় রাত হবে ফিরতে ফিরতে। তাই বলা যায় সম্পূর্ণ পূজোটাই সুন্দরবনে কাটবে।
![]()
|
|---|
হাতে থাকবে দশমীর দিন। সেদিন ভেবেছি বান্ধবীদের সাথে কিছু একটা প্ল্যানিং করবো।কারণ ওদের যখন জানাবো আমি পুজোর মেইন তিনদিন থাকছি না, জানি ওরা রাগ করবে। কিন্তু অনেক সময় পরিবারের ভালোলাগাকেও প্রাধান্য দিতে হয়। আর সত্যি কথা বলতে এবার পুজোর সময় আবহাওয়া খুব একটা ভালো থাকবে বলে মনে হচ্ছে না। তাই সকলের ঠাকুর দেখতে বেরোনোর প্ল্যানিং কতখানি সার্থক হবে জানিনা।
তবে বৃষ্টি হলে যে সুন্দরবনে গিয়েও আলাদা কিছু আনন্দ হবে এমন নয়। তবে আমি আশাকরছি দিনগুলো একটু অন্যরকম ভাবেই কাটবে। নতুন একটা প্ল্যানিং হয়েছে, যেটা আজকে আমি জানতে পারলাম। তাই সেটাই আজকের পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
![]()
|
|---|
তবে আদেও দিনগুলো কেমন কাটবে, কিভাবে সুন্দরবনের প্রতিটি জায়গা ঘুরে দেখবো এবং অভিজ্ঞতা কেমন হবে, সেই বিষয়ে আপনাদের সাথে তখনকার পোস্টে নিশ্চয়ই শেয়ার করবো।
আপাতত পুজো নিয়ে আপনাদের কি প্ল্যানিং চলছে, মন্তব্যের মাধ্যমে সেটা অবশ্যই জানাবেন। আপনাদের প্রত্যেকের পুজো খুব ভালো কাটুক, আনন্দে কাটুক, এই প্রার্থনা তো অবশ্যই করবো। তার পাশাপাশি আশা করবো মা দুর্গা যেন সকলের জীবনের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি নিয়ে আসেন।
আর পুজোর সময় আবহাওয়া যেন ভালো থাকে। যাতে প্রতিটি বাঙালি, বাঙালির এই সেরা উৎসবকে প্রাণভরে উপভোগ করতে পারেন।
ভালো থাকবেন প্রত্যেকে। শুভরাত্রি।




curated by wirngo
Lovely and unexpected Puja plan!
I can understand why you were a little unsure at first, but spending Saptami, Ashtami, and Navami in the Sundarbans could turn into a really beautiful experience. Sometimes unplanned trips become the most memorable ones.I also loved the way you connected this trip with your childhood Puja memories and your old wish to visit the Sundarbans during the hilsa festival. The river views, new places, family time, and delicious food sound like a wonderful combination. I hope the weather stays pleasant and you have a safe and enjoyable journey. I’ll definitely look forward to reading about your Sundarbans experience afterward. Wishing you and your family a very happy and peaceful Puja!
#s34engagement.