"ছাদ বাগানে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখার সুন্দর কিছু মুহূর্ত"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
গত রবিবার পুজোর শপিং করার জন্য ননদদের সাথে বারাসাতে গিয়েছিলাম, সেই অভিজ্ঞতা ইতিমধ্যেই আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি।
তবে সেদিন ননদের বাড়িতে গিয়ে একবার ওনাদের ছাদেও গিয়েছিলাম। কারণ ননদের কাছে শুনেছিলাম, ছাদ বাগানের বেশ কিছু গাছে ফুল ফুটেছিলো, আবার অনেক গাছের কুঁড়িও এসেছিলো।
তাই ননদ এবং ওনার হাজব্যন্ড তৈরি হতে হতে আমি এক পাক ছাদ থেকে ঘুরে এসেছিলাম। পড়ন্ত বিকেলে ননদের ছাদের সৌন্দর্য্য আরও সুন্দর হয়ে উঠেছিলো। তারই কিছু ফটোগ্রাফি আজ এই পোস্টের মাধ্যমে শেয়ার করতে চলেছি আপনাদের সাথে।
![]()
|
|---|
আপনারা অনেকেই জানেন এখন বেলা অনেকটা ছোটো হয়ে এসেছে। সাড়ে পাঁচটার পর থেকেই সূর্য অস্ত যেতে শুরু করে। আমি সেদিন বাড়ি থেকে সাড়ে চারটা নাগাদ বেরিয়েছিলাম। ননদের বাড়িতে যখন পৌঁছেছি, তখন প্রায় সন্ধ্যা হয়ে আসছিলো। তাই তখন ছাদে গিয়ে পড়ন্ত বিকেলের সূর্যাস্ত দেখলাম, খুবই ভালো লাগলো।
আসলে আমাদের বাড়ির আশেপাশে এতো বাড়ি যে, ছাদে দাঁড়িয়ে এতো সুন্দর সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার সুযোগ হয় না। তাই বোধহয় এদিন সূর্যাস্ত দেখতে আরও বেশি ভালো লাগছিলো।
প্রতিদিন গাছের যত্নে ননদের অনেকটা সময় ব্যয় হয়। তবে মানসিকভাবে তিনি অনেক ভালো থাকেন। গতকালকেও আমি আপনাদের সাথে এই কথাটা শেয়ার করেছিলাম যে, গাছেদের সাথে আর পোষ্যদের সাথে সময় কাটালে মনটা এমনিতেই ভালো হয়ে যায়।
![]()
|
|---|
ছাদে গিয়ে দেখলাম, বড় একটা গ্ৰো ব্যাগে ননদ ধনে পাতার চারা দিয়েছে। চারপাঁচ দিন আগেই ধনেগুলো ছড়িয়ে দিয়েছিলো এই গ্ৰোব্যাগের মাটিতে। এখন একেবারেই ছোট্ট ছোট্ট তারা উঠে গিয়েছে। যেগুলো দেখতে বেশ সুন্দর লাগছিলো।
কয়েকদিন বাদেই গাছগুলো বড় হয়ে যাবে। তখন ছাদে লাগানো পুদিনা পাতা ও ধনেপাতা দিয়ে চাটনি তৈরি করা যাবে। সার বিহীন এই পাতাগুলোর গন্ধ এতো সুন্দর হয় যে, সেটা দিয়ে তৈরি চাটনি আরও বেশি সুস্বাদু হবে বলে আশাকরি।
![]()
|
|---|
এরপর ঘুরে ঘুরে সব দেখলাম। ইতিমধ্যে দুটো জবা ফুল গাছে ফুল ফুটেছে। রানী কালারের ফুলটিকে লক্ষ্মী জবাফুল বলে। ফুলগুলো আকারে ছোট্ট হয়, কিন্তু দেখতে অসাধারণ।
তার পাশাপাশি ননদের ছাদের পাঁচিলে রাধাকৃষ্ণের মূর্তির এইরকম নকশা বসানো আছে। এই জবাফুল গাছটা এমন জায়গায় বসিয়েছে যে, ফুলটির সাথে মূর্তিটি আরও সুন্দর হয়ে উঠেছে। ছবিটা তোলার সময় আমার বিষয়টি চোখে পরেছে।
![]()
|
|---|
আর সাদা ও গোলাপি রঙের জবা ফুলের তো কোনো তুলনাই হয় না। রংটাই এতোটাই আকর্ষণীয় যে, গাছে দেখতেই ভালো লাগে। গাছ থেকে তুলতে ইচ্ছে করে না একেবারেই।
![]() |
|---|
|
|---|
বাকি জবা ফুল গাছগুলোতে কুঁড়ি ধরেছে অনেক। কয়েকদিনের মধ্যেই ফুল ফুঁটতে শুরু করবে হয়তো। গত দু-তিন দিনের মধ্যে একটা দুটো গাছে ফুল ফুটেও গেছে।
লাউ গাছের কথাও আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম। লাউ মাচার উপরে গাছটা আরও অনেকটা বেড়ে গেছে এবং ফুলও এসেছে। যদিও জানিনা এই প্রথম ফুলে লাউ হবে কিনা।
![]()
|
|---|
তবে গাছগুলো অনেকটা বেড়ে গেছে। লাউ যদিও বা না হয়, গাছগুলো যতটা সুন্দরভাবে বেড়ে চলেছে, তাতে লাউ শাক অন্তত খাওয়া যাবে।
যাইহোক পড়ন্ত বিকেলে ছাদে ঘুরে ঘুরে বেশ কয়েকটি ছবি তুললাম। তারপর ননদ ফোন করলে নিচে নেমে গেলাম। কারণ ততক্ষণে ওনরা তৈরি হয়ে গিয়েছিলো। ছাদে দাঁড়িয়ে পড়ন্ত বিকেলটা দেখতে সুন্দর লাগছিলো, আর সেই সাথে ননদের ছাদ বাগানটাও।
![]()
|
|---|
ইতিপূর্বে আপনাদের সাথে বাগানের অনেক ছবি শেয়ার করেছিলাম। তবে পড়ন্ত বিকেলকে ছাদ বাগানে দাঁড়িয়ে উপভোগ করার মুহূর্তগুলো শেয়ার না করে পারলাম না।
আপনাদের কার কার ভালো লাগলো আজকের পোস্টের ছবিগুলো দেখে অবশ্যই জানাবেন। পাশাপাশি দুটো জবা ফুলের মধ্যে কোন জবা ফুলটা আপনাদের ভালো লাগলো, সেটাও জানাতে ভুলবেন না। সকলে ভালো থাকবেন।










Curated By: @narocky71
Hola amiga. No hay nada más relajante que contemplar una bonita puesta de sol rodeada de un entorno tan natural y lleno de vida como ese jardín. Las plantas están muy bonitas; en especial, la flor de jazmín me gustó mucho.
Gracias por compartir. #s34engagement