অনেক দিন পর আবারো পড়াশোনার প্রস্তুতি

in Incredible India • 16 hours ago

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ?আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।

IMG20261003153536.jpg

বাঙ্গালীদের সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজা ।দেখতে দেখতে পুজো চলে এসেছে ।চারিদিকে কেনাকাটা করার প্রচুর ভিড় ।তারই মধ্যে আমি আজকে চলে গিয়েছিলাম আমার নিজের জন্য বিশেষ কাজে। নতুন একটা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে।কথায় আছে শিক্ষা যে কোন বয়সেই গ্রহণ করা যায়। শুধু ইচ্ছে থাকতে হয়। আমার বিয়ের পর থেকেই শাশুড়ি মা শ্বশুরমশাই দুজনেই বারবার বলতো এম এ পাস করবার জন্য। কিংবা বিএড করার জন্য ।কিন্তু আমি কখনো সেভাবে উদ্যোগ দেখায়নি। আসলে ইচ্ছে করত না নতুন করে পড়াশোনা করি। বেশ কিছুদিন ধরে কম্পিউটারে ভর্তি হওয়ার জন্য ভীষণ জোড়াজুড়ি করেছিল আমি সেটাতেও না করে দিয়েছিলাম ।কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরেই হঠাৎ করেই ইচ্ছে হলো আবারও নতুন করে পড়াশোনা করার চেষ্টা। এটা এক স্বপ্ন পূরণের জন্য পড়াশোনা করা, যদি কখনো স্বপ্ন পূরণ হয়, তাহলে নিশ্চয়ই আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।

IMG20261003145806.jpg

আজকে খুব সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে পড়েছিলাম ।আমি আমার গন্তব্যস্থলে যাব বলে। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে বাড়ির কিছু কাজকর্ম সেরে নিয়েছিলাম। এদিকে শাশুড়ি মা তো বকাবকি শুরু করে দিয়েছিল। একটা কাজে বেরোবে সেখানে রেডি না হয়ে বাড়ির কাজ কর্ম করছে। তবুও শাশুড়ির হাতে হাতে হেল্প করতে ভালোই লাগে। সকালবেলায় স্নান করে পুজো সেরে নিয়ে বাড়ির কাজকর্ম করে রেডি হয়ে নিয়েছিলাম ।ট্রেন ছিল সকাল নটা চল্লিশে। ট্রেনে করে সেভাবে কোথাও যাতায়াত করা হয় না। তাই সাথে করে একজনকে নিয়েছিলাম ।প্রথমে মামার যাবার কথা ছিল। কারণ মামার কাজ পড়ে গিয়েছিল তাই মামা নিয়ে যেতে পারিনি। দিদির মেয়েটা কে বলতেই সে রাজি হয়ে গিয়েছিল। আমার সাথে যেতে ।তাই দুজনে মিলে বাড়ির কাছে থেকেই টোটো ধরে রওনা দিয়েছিলাম স্টেশনে ট্রেন ধরার উদ্দেশ্যে।

IMG20261003145747.jpg

সেখান থেকে আপডাউন টিকিট কেটে নিয়েছিলাম। যাতে আসার সময় টিকিট কাটতে কোন সমস্যা না হয়। আমরা স্টেশনেই যাওয়া মাত্রই খানিকক্ষণের মধ্যে ট্রেন চলে এসেছিল। ট্রেনটা ফাঁকায় ছিল। আমরা আরামে বসে বসে তিরিশ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে গিয়েছিলাম রানাঘাট। এর আগে কখনো যাওয়া হয়নি ।তাই কিছু মানুষকে জিজ্ঞেস করতে করতে যেতে হয়েছিল। স্টেশনে নেমে টোটো ধরে রওনা দিয়েছিলাম রানাঘাট স্টেডিয়ামের কাছে। ঠিক যেমনটা ঠিকানা দিয়েছিল সেই রকম ভাবেই আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। টোটো ওয়ালা স্টেডিয়ামের কাছে নামিয়ে দিতেই আমরা আশেপাশের লোককে জিজ্ঞেস করেছিলাম ওখানে কোচিং সেন্টার টা কোথায়।

IMG20261003093430.jpg

উনারাও আমাকে সঠিকভাবে দেখিয়ে দিয়েছিল। এরপর চলে গিয়েছিলাম সেখানে ছিল ভর্তি হওয়ার পালা। ভর্তি হয়ে প্রথম দিন ক্লাস করে আবারো রওনা দিয়েছিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে। তবে ইচ্ছে ছিল রানাঘাটে কিছু শপিং করার। এদিকে সকালবেলায় তেমনভাবে কিছু খেয়ে যাওয়া হয়নি ।তাই খিদে প্রচন্ড পেয়ে গিয়েছিল ।দুজনে মিলেই বিরিয়ানি খেয়ে নিয়েছিলাম খাওয়ার পর আবারও স্টেশনে চলে গিয়েছিলাম। কারণ খানিকক্ষণ এর মধ্যেই ট্রেন ঢুকবে। বেশ খানিকক্ষণ দাঁড়ানোর পর আবারো ট্রেনে করে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছিলাম কৃষ্ণনগর স্টেশনে নেমে চলে গিয়েছিলাম দিদির মেয়েটার সাথে কিছু শপিং করব বলে। আসলে ও কিছু কেনাকাটা করবে ।কিন্তু শপিং মলে ঢুকে ওর কোন কিছুই পছন্দ হলো না। তাই আবারও রওনা দিয়েছিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে। আজকে সারাদিন কি এই ভাবেই কেটে গেল বাড়ি ফিরতে ফিরতে প্রায় বিকেল পাঁচটা বেজে গিয়েছিল।


যাইহোক আজ এইখানেই শেষ করছি। আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Sort:  
Loading...

Curated by @ adeljose

 4 hours ago 

Thank you 🙏