গনেশ চতুর্থীর দিনে কাটানো দুপুরের মূহুর্ত
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
আজ ছিল গণেশ চতুর্থী ।এ বছরে দুই দিন ধরে চতুর্থী রয়েছে। তাই আজকে অনেকে পুজো করেছে। আবার কালকে সকাল পর্যন্ত অনেকে পুজো করবে। আগামীকাল সকাল আটটা পর্যন্ত চতুর্থী রয়েছে।গতকালকে আপনাদের মাঝে গণেশ চতুর্থীর বাজার করার কিছু সুন্দর মুহূর্ত তুলে ধরেছিলাম। আজকে সোমবার মহাদেবের ও পূজার দিন। আমি বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে বাবা মহাদেবের পূজা করছি। প্রত্যেক সোমবারে মোটামুটি চলে যাই মহাদেবের মাথায় জল ঢালবার জন্য ।এমনকি সারাটা দিন নিরামিষ খেয়ে আমার কেটে যায়। গতকালকে ঈশা বলে রেখেছিল প্রত্যেক বারের মতো এবারে ও ওদের বাড়িতে পুজোর কিছু জোগাড় করার জন্য। কিন্তু খুব সকালবেলায় ঠাকুর মশাই আসার কারণে প্রচন্ড অসুবিধায় পড়ে ছিলাম। কারণ ঘুম থেকে উঠতে সকাল বেলায় অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। সকালে ঘুম ঘুম ভাঙতে ভাঙতে প্রায়ই সকাল নটা বেজে যায় । ঠাকুর মশাই কে একটু দেরি করে আসতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ঠাকুর মশাই সময় দিতে পারবে না বলে ওনার সময় মতো উনি চলে এসেছিল।
এদিকে ঠাকুর মশাই আসবে সকাল সাড়ে আটটায়। তাই আগে দিন ঈশা কে বলে রেখেছিলাম একটু তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ডেকে দেওয়ার জন্য। ও রীতিমতো সকাল সাতটা নাগাদ ঘুম থেকে তুলে দিয়েছিল। এদিকে আগের দিন রাত্রি বেলায় অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল ঘুমাতে। কারণ এখন আবার একটু কাজের চাপ বেড়ে গেছে। সকাল সাতটার সময় ঘুম থেকে উঠে কিছু কাজ বাকি ছিল সেগুলো সেরে নিয়েছিলাম। এছাড়া বাড়ির কাজকর্ম সমস্ত কিছু সেরে স্নান সেরে চলে গিয়েছিলাম ঈশাদের বাড়িতে পুজোর জোগাড় করবার জন্য। তখন ওদের বাড়িতে গিয়ে দেখি মোটামুটি পুজো জোগাড় করা কমপ্লিট হয়ে গেছে ।শুধুমাত্র লুচি ভাজা বাকি আছে। এদিকে গ্যাসে ভোগের পায়েশ রান্না চলছে।
প্রত্যেক বছর আগের দিন ডেকোরেশন করে সাজানো হয়। কিন্তু এবছরের সেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। তাই পরের দিন সকালবেলাতেই সাজাতে হয়েছিল। সুন্দর করে কলাপাতা দিয়ে ডেকোরেশন করা হয়েছিল।এদিকে আমি গিয়ে ময়দা মেখে লুচি ভাজতে শুরু করে দিয়েছিলাম। কারণ লুচি ভাজা বাকি ছিল। ময়দা মেখে সমস্ত লুচি ভেজে পুজোর কিছু কাজকর্ম করে আবারো বাড়ি চলে এসেছিলাম। কারণ আমি আবার যাব মহাদেবের মাথায় জল ঢালবার জন্য। আমার বাড়ি থেকে আমি পুজোর জোগাড় করে নিয়ে চলে গিয়েছিলাম সরাসরি মন্দিরে। সেখানে মহাদেবের পূজার সেরে আবারো চলে এসেছিলাম বাড়িতে। বেশ কিছুদিন ধরে মহাদেবের পূজা করার পর শরীর মন সব কিছুই ভালো রয়েছে।
আমি পুজো দিতে যাওয়ার আগেই ওদের বাড়িতেও ঠাকুর মশাই চলে এসেছিল পুজো করার জন্য। তাই পুজো শুরু থেকে আমি আর থাকতে পারিনি। ওদের বাড়িতে যাবার খানিকক্ষণ পরে ওখানে আবার গণেশ পূজোর অঞ্জলিও দিয়েছিলাম। একই দিনে দুই কাজ সম্পন্ন হয়েছিল ।পুজো কমপ্লিট হয়ে যাওয়ার পর ওদের বাড়িতেই প্রসাদ খেয়ে আবারো দুপুরে রান্না বান্না চাপিয়ে দিয়েছিলাম ।কারণ আজকে সারাদিনটা নিরামিষ খেয়ে কাটাতে হয়েছিল। তাই সারাদিন ওদের বাড়িতে ছিলাম। ওদের বাড়িতে খিচুড়ি রান্না করে সকলে মিলে খিচুড়ি খাওয়া হয়েছিল। যাইহোক আজকে সারাদিনটা ওদের বাড়িতেই গণেশ পূজা করে এমনকি খাওয়া দাওয়া করে সুন্দর সময় কাটিয়েছিলাম ।সেই মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিলাম।
আজ এখানেই শেষ করছি। আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল ।সকালে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

