মানসিক হেনস্থা।
কেমন আছেন "আমার বাংলা ব্লগ"এর সকল সদস্যরা? আশা করি সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও খুব ভালো আছি। আজ আমি একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। আশাকরি আমার পোস্টটি পড়ে আপনাদের খুব ভালো লাগবে।
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আমাদের সাথে বসবাস করে যারা আমাদের মানসিক শান্তি কোনভাবেই বজায় রাখতে পারে না। এসব মানুষ বিভিন্নভাবে আমাদের বিভিন্ন সময়ে মানসিক হেনস্থা করতেই থাকে। মন মানসিকতা খুব সুন্দর এবং পবিত্র একটি জিনিস কিন্তু এই মন মানসিকতার ওপর যদি প্রতিনিয়ত অত্যাচার হতে থাকে তবে কোনোভাবেই এমন মানুষের কথা সুন্দরভাবে থাকতে পারে না। আসলে আমরা ছোটবেলা খুব নিষ্পাপ একটা মানসিকতার মধ্য থেকে বড় হই কিন্তু এই মানুষের কথা আমাদের ধীরে ধীরে সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে শুরু করে আর একটু একটু করে বিভিন্ন ঘাত প্রতি ঘাটের মধ্য দিয়ে নষ্ট হতে শুরু করে। আমাদের মন আমাদের সব থেকে সেনসিটিভ জিনিস সব সময় আমাদের মনের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। যে সকল মানুষ আমাদের মানসিক শান্তি নষ্ট করে এবং মনে আঘাত দেওয়া কাজ করে তাদের থেকে অবশ্যই আমাদের দূরে থাকতে হবে। কারণ আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা শুধুমাত্র এমন কাজ করে চলে যাতে আমাদের মানসিক শান্তি নষ্ট হতে থাকে।
আসলে কিছু কিছু সময় কিছু কিছু মানুষ ইচ্ছা করে বা অনিচ্ছা করে এমন কিছু কাজ করতে থাকে বা এমন খামখেয়ালি করতে থাকে যার ফলে আমাদের মানুষের শান্তি নষ্ট হয়। কারণ আমাদের আশেপাশে থাকা মানুষের আচার-আচরণ বা আমাদের প্রিয় মানুষের আচার-আচরণ সবকিছুই আমাদের ওপর একটা প্রভাব ফেলে যার ফলে আমাদের মনেরও শান্তি নষ্ট হয় বা আমরা মানসিক হেনস্তার স্বীকার হই। যেসব মানুষ খুব খামখালি করতে থাকে খামখেয়ালি মূলক কাজ করে বা আমাদের মনে আঘাত করা কাজ করে সেসব মানুষের থেকেও আমাদের যথাসম্ভব দূরে থাকা প্রয়োজন। কারণ এসব মানুষের কাজ আমাদের জীবনে এবং আমাদের মনে ভীষণভাবে প্রভাব পড়ে যাতে আমাদের মানসিক শান্তি নষ্ট হয় আর আমরা অন্য কোন ভাল কাজ বা আমাদের জীবনে উন্নতি মূলক কাজ করতে উৎসাহ পাই না। আসলে আমাদের মন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এবং জীবনে উন্নতি মূলক প্রত্যেকটা কাজে ভীষণভাবে অংশগ্রহণ করে তাই আমাদের জীবনে উন্নতি করতে গেলে সবার আগে মন ভালো রাখা দরকার এবং মন দিয়েই সব কাজ করা দরকার।
আর এই মন যদি কারোর কারণে বা কারোর আচরণের কারণে কোনরূপ আঘাতপ্রাপ্ত হয় তবে সে মন দিয়ে আমরা কোনভাবেই অন্য কোন কাজে ব্যবহার করতে পারব না। তাই আমাদের সবসময় মানসিক শান্তি বজায় রাখা প্রয়োজন আমাদের নিজেদের কাজকর্ম করার জন্য। যেসব মানুষ আমাদের মানসিকভাবে হেনস্থা করছে সেই সব মানুষের কাছ থেকে যেমন আমাদের দূরে থাকা প্রয়োজন তেমনি খামখেয়ালি কাজ করা মানুষদের থেকেও আমাদের ভীষণভাবে দূরে থাকা প্রয়োজন। যেসব মানুষ প্রচন্ড খামখেয়ালি এবং জীবনে কোন কাজ সিরিয়াস ভাবে করে না বা আমাদের কোন কাজ সিরিয়াস ভাবে করে না সেসব মানুষের কারণে আমাদের জীবনের বিভিন্ন উন্নতি মূলক কাজ বা ভালো কাজ ব্যাহত হতে পারে। তাই সবসময় এইসব মানুষের থেকে দূরে থাকা উচিত আর নিজে নিজের কাজ করার যথেষ্ট চেষ্টা করা উচিত। আমরা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে আঘাতপ্রাপ্ত হই। সেটা হতে পারে বাইরের মানুষ আবার হতে পারে আমাদের পরিবারের মানুষ। সকল মানুষই আমাদের জন্য বিপদ জনক হয়ে উঠতে পারে যদি সেটা আমাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে আঘাত জনিত ব্যাপার হয়ে থাকে।
অনেক সময় আমরা নিজেদের মতো শান্তিতে থাকি কিন্তু কিছু কিছু মানুষ আমাদের অযাচিত সেই শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা করে। আসলে আমাদের মনে অনেক আশা জাগায় এবং সেই আশা পরবর্তীতে আবার নষ্ট করে দেয় যার কারণে আমরা ভীষণভাবে মানসিক হেনস্তার স্বীকার হই। তাই আমাদের যখন তখন যার তার কথায় বিশ্বাস করলে চলবেনা এবং সেই কথা অনুযায়ী মনের মধ্যে আসা জাগালে আমাদের নিজেদেরই মন খারাপ হবে। তাই সবসময় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এবং আমরা যেন মানসিকভাবে মানুষ তার শিকার না হয় সেটাও আমাদের নিজেদেরকে খেয়াল রাখতে হবে। সব সময় আমরা যদি অন্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজের মন মত এবং ক্ষমতা বুঝে মনের মধ্যে আশা জাগায় তবে আমাদের মন খারাপ করার বা মানসিকভাবে হেনস্তা করার ক্ষমতা অন্য কারোর হবে না। তাই সবসময় নিজের যত নিজে নিতে হবে এবং আমাদের মানসিকভাবে যেন কেউ হেনস্থা না করতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ শারীরিক ক্ষত ঠিক হয়ে গেলেও মানসিক ক্ষত কোনভাবেই ঠিক হয়না এবং মানসিক হেনস্তার ফলে আমাদের জীবনের ভারসাম্য ব্যাহত হয়ে যায়।
ক্যামেরা পরিচিতি : Realme
ক্যামেরা মডেল : realme narzo 60 pro
ক্যামেরা লেংথ : 26 mm
আশা করি আজকের পোস্টটি আপনার খুব ভালো লেগেছে। আর ভালো লাগলে কমেন্ট করে অবশ্যই আমাকে জানাতে ভুলবেন না।
