ধরাকে সরা জ্ঞান!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমি না কিছু কিছু মানুষকে দেখেছি যারা একদম জাস্ট ছোট ছোট একটা পাওয়ার দিয়ে দিলেই তারা সেটাকে একদম ধরাকে সরা জ্ঞান করে।মানে সামান্য একটু দায়িত্ব,একটু কর্তৃত্ব বা অন্যের ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পেলেই এদের আচরণ পুরোপুরি বদলে যায়।মানে মনে হয় যে এতোদিন এরা এই ক্ষমতার অপেক্ষাতেই ছিলো।অথচ যে ক্ষমতাটা তাদের দেওয়া হয়েছে সেটা হয়তো খুব সামান্য একটা দায়িত্ব।কিন্তু সেটাকেই এমনভাবে ব্যবহার করতে শুরু করে যেনো পুরো জায়গাটার দায়িত্ব তাদের একার।আএ বিষয়টা আসলেই না খুবইই বিরক্ত লাগে।কারণ দায়িত্ব পাওয়া আর ক্ষমতা দেখানো এক জিনিস না।একটা দায়িত্বের সঙ্গে আসলে দায়িত্বশীল হওয়াটাই বেশি ইম্পর্ট্যান্ট।
কিন্তু কিছু মানুষ দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমেই ভাবতে শুরু করে এখন থেকে সবাইকে নিজের কথা শুনতে হবে।কার কী করা উচিত,কে কীভাবে কাজ করবে, কেকখন কোথায় থাকবে এসব নিয়েও অপ্রয়োজনীয়ভাবে নাক গলানো শুরু করে।আরও মজার বিষয় হচ্ছে কি দেখেছি ঠিক এই ধরনের মানুষ অনেক সময় ছোট একটা সুযোগ পেলেই অন্যদের ছোট করে দেখাতে শুরু করে।আগে যাদের সাথে খুব স্বাভাবিকভাবে কথা বলতো দায়িত্ব পাওয়ার পর তাদের সাথেই একদম এমন আচরণ করে যেনো এরা আর সমান পর্যায়ের মানুষ ই না।কথাবার্তায় একটা অহংকার চলে আসে আরকি।নিজের সিদ্ধান্তকে সবসময় ঠিক মনে হয় আর অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনও মনে করে না।আসলে ক্ষমতা মানুষের চরিত্র তৈরি করে না অনেক সময় চরিত্রের একটা দিক প্রকাশ করে দেয়।
কেউ দায়িত্ব পেলে আরও দায়িত্বশীল হয়ে যায় আবার কেউ একটু কর্তৃত্ব পেলেই নিজের আসল মানসিকতা দেখাতে শুরু করে।কে কীভাবে ক্ষমতা ব্যবহার করছে সেখান থেকেই অনেক কিছু বোঝা যায়।ছোট একটা দায়িত্ব পেয়ে যদি কেউ মনে করে তাকে সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।তাহলে সেটা ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার না।দায়িত্ব মানে অন্যদের ওপর নিজের প্রভাব দেখানো না।দায়িত্ব মানে কাজটা ঠিকভাবে করা বা অন্যদের সঙ্গে এসোসিয়েট করা আর প্রয়োজন হলে সবাইকে সাহায্য করা।অনেক সময় ই না একদম এই ধরনের আচরণের কারণে একটা পুরো পরিবেশ অস্বস্তিকর হয়ে যায়।মানুষ তখন নিজের কথা বলতে ভয় পায়।কেউ কোনো পরামর্শ দিতে চায় না।কারণ সবকিছুতেই যদি একজনের কথাই শেষ কথা হয়।তাহলে অন্যদের কাজ করার আগ্রহও কমে যায়।
আর একটা ছোট দায়িত্বের জায়গা থেকেই তখন অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা তৈরি হতে থাকে।আর আমার মনে হয় যে যার হাতে যতোটুকু ক্ষমতা থাকে তার ততো বেশি বুঝে চলা উচিত।কারণ ক্ষমতা চিরস্থায়ী না।আজকে যে দায়িত্বটা হাতে আছে কালকে সেটা অন্য কারও হাতে চলে যেতে পারে।তাই দায়িত্ব পাওয়ার সময় নিজেকে অন্যদের থেকে বড় ভাবার কোনো কারণ নেই।উলটা ছোট একটা দায়িত্বও যদি কেউ ভালোভাবে পালন করে বা সবার সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলে আর নিজের ক্ষমতার সীমাটা বুঝে।তাহলে সেটাই বেশি ভালো লাগে আরকি।আসলে মানুষ তখন তাকে ভয় পায় না বরং সম্মান ই করে।
আসলে ক্ষমতা কতোটুকু ছিলো না ছিলো সেটা না খুব একটা ইম্পর্ট্যান্ট ই না।ইম্পর্ট্যান্ট হচ্ছে সেই ক্ষমতা কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।ছোট একটা পাওয়ার পেয়ে যদি মানুষ নিজের ব্যবহার,বিবেক আর সীমাবোধ হারিয়ে ফেলে।তাহলে সেই ক্ষমতা আসলে তার জন্যও ভালো কিছু বয়ে আনে না।তাই দায়িত্ব পাওয়া উচিত দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য নিজেকে সবার ওপরে প্রমাণ করার জন্য না একদম ই।


ngl this is such a real observation. the 'suddenly too important to talk normally' type is the worst. responsibility should humble you, not inflate you. Job searching shows you both kinds of people pretty quickly too